কলেজছাত্রকে পেটানোর অভিযোগ হেফাজতের উপর

ইমান২৪.কম: সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের এক ছাত্রকে বেধড়ক পিটানোর অভিযোগ উঠেছে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের উপর।। শুক্রবার সন্ধ্যায় ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইর রাজাপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

দেশের একটি অনলাইন পত্রিকার খবরে বলা হয়, গত ২ মে তিনি হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের মানবিক বিয়ের একটি সংবাদ তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার আইডি থেকে শেয়ার করেন।

শেয়ারের পরই তার নিজ গ্রামের পার্শ্ববর্তী রহমতপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গণির ছেলে বাবুপুর মহিলা মাদরাসার শিক্ষক ও উপজেলা হেফাজত নেতা মাওলানা এমদাদুল হক, রংপুরহাটি গ্রামের বাসিন্দা মো. সুলেমান উদ্দিনের ছেলে ও রাজাপুর মহিলা মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা সাইদুর রহমান নোমানি এবং রহমতপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজু আহমদের ছেলে সুলতান আহমদসহ কয়েকজন তাকে নাস্তিক ও ধর্মবিদ্বেষী আখ্যায়িত করে হুমকি দেয়।

তাদের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে সুনামগঞ্জ জেলা শহরে চলে আসেন তিনি। ভয়ের কারণে গত ঈদেও বাড়িতে যাননি। শুক্রবার তার বড় ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে চুপি চুপি বাড়ি যান তিনি।

এই খবর পেয়ে হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা এমদাদুল হক, মাওলানা সাইদুর রহমান নোমানি এবং রহমতপুর গ্রামের সুলতান আহমদসহ হেফাজতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে রাজাপুর বাজারে মনিরের ওপর হামলা চালায়। তারা তাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে ধার্মপাশা থানার ওসি খালেদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি রাজাপুর বাজারে সমস্যা হয়েছে। এখনো মূল ঘটনা জানতে পারিনি।

ফেসবুকে লাইক দিন