মুনিয়ার ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেল (ভিডিও)

ইমান২৪.কম: গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত শেষে সুরতহাল প্রতিবেদনে এই তরুণীর গলার বামপাশে ‘অর্ধচন্দ্র’ আকৃতির গভীর দাগ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে মুনিয়ার মরদেহ কুমিল্লায় তার মা-বাবার কবরের পাশে সমাহিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) বাদ আসর জানাজা শেষে শহরের টমছমব্রিজ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, মোসারাত জাহান মুনিয়ার গলার বাম পাশে গভীর কালো দাগ পাওয়া গেছে। তরুণীর উপর বিষপ্রয়োগ কিংবা ধর্ষণের কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা তা জানতে ভিসেরা পরীক্ষা করা হচ্ছে ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগে।

ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেন, ওই তরুণীর মৃহদেহ উদ্ধারের পর সেখান থেকে তার মোবাইলসহ বিভিন্ন ধরনের আলামত উদ্ধারের সঙ্গে ৬টি ডায়েরি পাওয়া যায়। এসব ডায়েরিতে কী লিখা আছে, তা যাচাই করা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা সুদীপ কুমার বলেন, ওই ফ্ল্যাটে তরুণী একা থাকার কথা বলা হলেও কে কে আসা যাওয়ার মধ্যে থাকত, সে জন্য ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ডায়েরির সাথে সেগুলো যাচাই চলছে।

মুনিয়ার মৃত্যু কী আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

উপকমিশনার সুদীপ বলেন, আমরা অপেক্ষা করছি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য। আপাতত হ্যাংগিং মনে হলেও প্রতিবেদন থেকে জানা যাবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে। এরপরেই তদন্তের গতি নির্ধারণ হবে। এখন আমরা এভিডেন্স কালেকশন করছি।

মুনিয়া রাজধানীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লা শহরে। সেখানেই থাকে তার পরিবার।

এর আগে, গুলশান দুই নম্বর এভিনিউয়ের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর প্লটের বি/৩ ফ্ল্যাটে একা থাকতেন কলেজছাত্রী মুনিয়া। চলতি বছরের মার্চ মাসে এক লাখ টাকা মাসিক ভাড়ায় তিনি ওই ফ্ল্যাটে ওঠেন। সোমবার (২৬ এপ্রিল) রাতে ওই বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ফেসবুকে লাইক দিন