হদিস নেই ৩৩৯ কোটি টাকার, ঘাটতি মেটাতে অংশীদার খুঁজছে ইভ্যালি

ইমান২৪.কম: দেশের বাজারে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭ কোটি টাকা উল্লেখ করে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, গ্রাহকের থেকে অগ্রিম হিসেবে ২১৪ কোটি টাকা এবং মার্চেন্টদের থেকে বাকিতে পণ্য বাবদ ১৯০ কোটি টাকা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সব মিলিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের কাছে ৪০৪ কোটি টাকা থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৬৫ কোটি টাকা। হদিস নেই ৩৩৯ কোটি টাকার। প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে এই ঘাটতি কাটিয়ে উঠবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় এখানে বিনিয়োগকারীরা। একইসঙ্গে পাওনা টাকা তুলতে বিপাকে মার্চেন্টগুলোও।

চিঠিতে এসব তথ্য উল্লেখ করে ইভ্যালির বিরুদ্ধে তদন্ত করে আর্থিক অনিয়ম পেলে দুদককে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। চলমান লকডাউন শিথিল হলেই তদন্ত কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে। টাকা নিয়েও পণ্য না দেয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে।

চিঠি পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন অধিদপ্তরটির মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা। তিনি বলেন, ইভ্যালির বিরুদ্ধে প্রতিদিনই অভিযোগ আসছে, নিষ্পত্তিও করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে পাওয়া তথ্যগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে পাঠিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

একইভাবে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, গ্রাহক ও মার্চেন্টদের দেনা শোধ করা ইভ্যালির পক্ষে সম্ভব হবে না। এসব বিষয়ে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলের ভাষ্য, টাকা পাচার বা আত্মসাৎ করেনি তার প্রতিষ্ঠান। ব্যবসার উন্নয়ন খাত, ডিসকাউন্টে পণ্য বিক্রি এবং বেতন-ভাতা দেয়ায় অর্থ ব্যয় হয়েছে। এ নিয়ে এইভাবে চিঠি দেয়া হলো কেন, সেটাও তাদের বোধগম্য নয় বলে জানান তিনি। মূলধনে ঘাটতির কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, তিন খাতে অর্থ ব্যয়ের জন্য ঘাটতি হয়েছে, যা পূরণ করতে অংশীদার খোঁজা হচ্ছে।

ফেসবুকে লাইক দিন