সেই ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এবার মালয়েশিয় বিমান দূর্ঘটনার কবলে।

১৩৯ জন যাত্রী নিয়ে একটি মালয়েশিয় বিমান উড্ডয়নকালে বিমানটির উড্ডয়ন বাতিল করে দেয় হয়, ফলে বিমানটি রানওয়েচ্যুত হয়ে ঘাসের মধ্যে ১০০ ফুট পিছলে কাদায় গিয়ে আটকে যায় । মালয়েশীয় যাত্রিবাহী বিমানটি রানওয়েচ্যুত হওয়ায় প্রায় ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকে ত্রিভুবন বিমানবন্দরের কার্যক্রম। বিমানটির এ দুর্ঘটনায় কোন প্রকার হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আরো পড়ুন>> আলহামদুলিল্লাহ, এবার মুসলমানের জন্য নামাজের ব্যাবস্থা করলো রাশিয়ার ক্রিমিয়া এয়ারপোর্ট

তবে শত শত যাত্রীর ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি, বিমানবন্দরটিতে অবতরণ করতে আসা সকল বিমান বিমানবন্দরে অবতরণ না করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। মালয়েশিয়ার মালিন্দো এয়ার বোয়িং ৭৩৭ মডেলের বিমানটি বৃহস্পতিবার রাত ১২ টার দিকে রানওয়ে থেকে ছিটকে যায়।

আরো পড়ুন>> স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও দেশে এই ধরনের ঘটনা অত্যান্ত লজ্জাজনক: ভারত

বিমানবন্দরটির মুখপাত্র প্রেমনাথ ঠাকুর বলেন, বিমানটি রানওয়েতে উড্ডয়নের জন্য উড়তে শুরু করছিল। কিন্তু তখনই, পাইলটরা একটি সমস্যা সনাক্ত করায় তৎক্ষণাৎ উড্ডয়ন বাতিল করে দেয়। বিমানটি তখন তার অর্জিত গতিতে রানওয়ে থেকে পিছলে ছিটকে গিয়ে ১০০ ফুট দূরের কাদায় গিয়ে থেমে আটকে যায়। ঠাকুর জানিয়েছেন, বিমানের সকল যাত্রি নিরাপদ আছেন। তবে কি সমস্যার জন্য পাইলটরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা তিনি তখনো জানাতে পারেননি।

আরো পড়ুন>> আইএসকে আত্মসমর্পণের জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় বেধে দিলো সেনাবাহিনী

ঠাকুর আরও জানান, শুক্রবার দুপুরের আগমুহুর্তে কোন প্রকার ক্ষয়-ক্ষতি ছাড়াই বিমানটি উদ্ধার করে সরিয়ে নেয়া হয়, এর পর পুনরায় নেপালের একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রসঙ্গত, মালয়েশীয় বিমানসেবা প্রতিষ্ঠান মালিন্দো এয়ার কুয়ালালামপুর-কাঠমান্ডু রুটে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করে থাকে।

এর আগে গত মাসে নেপালের একমাত্র এ ত্রিভুবন বিমানবন্দরেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় জীবন হারিয়েছিলেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে থাকা প্রায় ৬৯ জন যাত্রী। আহত হয়েছিলেন আরও অনেকে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা এবং যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ওই দুর্ঘটনা ঘটেছিল iman24.com

ফেসবুকে লাইক দিন