রাসূল (সা.)-ই হলেন আমাদের উত্তম জীবনাদর্শ

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে- لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة।
অর্থ: নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য আপনার জন্য উত্তম আদর্শ।
– (সূরা: আহযাব, আয়াত ২1)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবন সম্পর্কে প্রত্যেক দিক আমাদের আদর্শ। তাঁর অর্থনৈতিক জীবন, রাজনৈতিক জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্র জীবন এবং আন্তর্জাতিক জীবন – সব আমাদের আদর্শ।
আর এটি কেবল মুসলিম জাতিরই নয়; বরং কোন জাতি, যে কোন সম্প্রদায়, যে কোন সম্প্রদায় আল্লাহর রসূল (সা।) – এর জীবনাচরণ অনুসরণ করে তারা পার্থিব জীবন শান্তি লাভ হবে। আর যদি তারা ঈমানদার হয় তাহলে দুনিয়ার জীবনকে সাথে সাথে অনন্ত সুখ, শান্তি ও আনন্দ। · কোন দেশে যদি প্রিয় নবীজী আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয় তবে তিনি দেশে সুদ-ঋণদাতা হবেন। অন্যায় অবিচার অত্যাচার-নির্যাতন হ’ল না কারো কারো অধিকার নষ্ট করা না ধনীদের দ্বারা গরিব উপর শোষণ-নিপীড়ন বিলুপ্ত করা হবে। ন্যায় ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত সাম্য এবং শান্তি সর্বদা বীরজ করা। ·
তাঁর চরিত্রিক বৈশিষ্ট্য সমগ্র মানব জাতির জন্য পাথাই
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে- وإنك لعلى خلق عظيم।
অর্থ: নিশ্চয় আপনি ভাল চরিত্রের অধিকারী
– (সূরা: আল কলাম, আয়াত 4) ·
আল কোরআন যেহেতু প্রিয় নবীজী চরিত্রিক বৈশিষ্ট্যাবলী ভালভাবে সাক্ষ্য দেয় তাই বিশ্ববাসীর উচিত প্রিয় রাসূলের চরিত্রকে নিজের জীবন বাস্তবায়িত করা। নিজেদের চরিত্রকে তার চরিত্রের মতো করে গড়ে তোলার চেষ্টা করা ·
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করা হলে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অর্জিত হবে।
পবিত্র কুরআন সে কথা বলছে- قل إن كنتم تحبون الله فاتبعوني يحببكم الله ويغفر لكم ذنوبكم والله غفور رحيم।
অর্থ: হে মুহাম্মাদ (সা।) বলুন, আপনি যদি আল্লাহকে ভালবাসতেন তবে আমি রাসূলের অনুসরণ করবো। তবে তিনি (আল্লাহ) আপনাকে ভালবাসা। আপনার গুনাহসমূহকে ক্ষমা করা। আল্লাহ ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।
– (সুরা আলে ইমরান, আয়াত 31) ·
এই আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, আল্লাহর ভালবাসা নির্ভর করে রাসূলের অনুসরণ করা সম্পর্কে যে যত বেশী রাসূলের অনুসরণ করবে আল্লাহ্ সন্তুষ্টিও তিনি আরও বেশি লাভ করবেন।

ফেসবুকে লাইক দিন