রাজধানীতে জাতীয় মন্দির রেখে মোদি যাবেন গোপালগঞ্জের মন্দিরে: গয়েশ্বর

ইমান২৪.কম: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী আসবেন। তিনি আসবেন ২৬ ও ২৭ মার্চ। নিরাপত্তার প্রশ্ন। তিনি স্বাধীনতার সুবর্ণ দিবস পালন করতে আসবেন।

তিনি মন্দির ভিজিট করবেন। মন্দির তো জাতীয় ঢাকেশ্বরী মন্দির, রমনা কালী মন্দির এখানে আছে। কিন্তু তিনি গোপালগঞ্জের মন্দিরে যাবেন। তিনি সাতক্ষীরা মন্দিরে যাবেন। এর আশেপাশের লোক এখনই ঘরছাড়া। নিরাপত্তা বলে একটা কথা আছে। যেখানে যাবেন, ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়িতে, তার ভক্ত লক্ষ লক্ষ। একটা অনুষ্ঠান হয় ৭ দিনব্যাপী। সেখানে ১০ থেকে ১৫ লক্ষ লোকের আগমন হয়।

‘এই প্রধানমন্ত্রীর (মোদি) জন্য যদি এতো লোকের আগমন হয় তাহলে স্বাস্থ্যবিধিটা কোথায় থাকবে? সেখানে স্বাস্থ্যবিধির বাধা নাই?’ সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে ঢাকা জেলা বিএনপি আয়োজিত এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, লোকে বলে, পত্রিকা বলে এবং গবেষকরা বলেন- পশ্চিমবঙ্গের বসবাসকারী মতুয়া সম্প্রদায়ের যারা এখানে ঔরস আছে, তাদের সাথে মোলাকাত করতে আসছেন। এটা একটা নির্বাচনী প্রচার। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ (বাংলাদেশ)। অন্যদেশে নির্বাচনে অনেক দল অংশগ্রহণ করে, আমরা যদি একটি দলকে নির্বাচনের সুযোগ করে দেই তাহলে কি দাঁড়ায়? কি দাঁড়ায় এটা?

তিনি বলেন, আজকে স্বাধীনতা বিপন্ন। আমরা অন্যান্য বছর যেভাবে স্বাধীনতা উদযাপন করেছি, সেটুকু সুযোগ আমাদের জন্য রাখা হয়নি। সাধারণভাবে ২৬ মার্চ প্রতিবছর পালন করি। সেই সুযোগটাও রাখা হয়নি।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, বিএনপি নেতা বেগম সেলিমা রহমান, রুহুল কবির রিজভী, হাবিব উন নবী খান সোহেল, খোন্দকার মাশুকুর রহমান এবং ডা. দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিনসহ দলটির অঙ্গসংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীবৃন্দের রোগমুক্তি কামনায় এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

বিদেশিদের সার্টিফিকেট এখন বেশি প্রয়োজন হয়ে গেছে মন্তব্য করে গয়েশ্বর বলেন, মানুষের আস্থার জায়গাটা শেখ হাসিনার জন্য ক্ষীণ হয়ে গেছে। সকল দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা আসুক। ভালো কথা, এটাতো ভালো। সুবর্ণজয়ন্তীতে তারা আসবেন, এটা আমরা স্বাগতম জানাই। কিন্তু তাদের কারণে আমাদের ঘরে বন্দি থাকতে হবে, আমরা আমাদের উচ্ছ্বাস ও আনন্দ উপভোগ করতে পারবো না, এটা কিসের স্বাধীনতা? কি কারণে বলেছি, বিপন্ন স্বাধীনতা? এই কারণেই বলছি।

খালেদা জিয়া অসুস্থ জানিয়ে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, উনি কারাবন্দির জায়গায় গৃহবন্দি। কারাগারে থাকা অবস্থায় সরকারের যে আচারণ ছিল, গৃহে থাকা অবস্থায় সরকারের একই আচারণ আছে। এক কথায় তিনি মুক্ত নন

ফেসবুকে লাইক দিন