যে কোন মূল্যে মোদির ঢাকা সফর ঠেকানোর ঘোষণা!

ইমান২৪.কম: স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ আগমন যেকোনো মূল্যে ঠেকানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মশাল মিছিল পরবর্তী সমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় অবিলম্বে মিথ্যা মা’মলা প্র’ত্যাহার ও আ’টক ছাত্রনেতাদের মুক্তির দাবিতে মশাল মিছিল কর্মসূচির আয়োজন করে প্রগতিশীল ছাত্র জোট! মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে শুরু হয়ে শামসুন্নাহার হল শাহবাগ প্রদক্ষিণ করে কাটাবন মোড় হয়ে টিএসসি এসে শেষ হয়।

মিছিল পরবর্তীল সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সভাপতি অনিক, ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা মহানগর সংসদের সাবেক সভাপতি জওহর লাল রায়, ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল,

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফেডারেশানের সভাপতি মাসুদ রানা!সমাবেশ থেকে কমরেডদের মুক্তি এবং লেখক মুশতাকের হ”ত্যার বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার সারাদেশে বি’ক্ষোভ কর্মসূচি পালন এবং দুপুর বারোটায় রাজু ভাষ্কর্যে প্রতিবাদ সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সবাবেশে বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সভাপতি অনিক বলেন, এই তথাকথিত স্বাধীনতার মাসে গুজরাটের কসাই নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে আসছে। আমরা বাংলাদেশের জনগণ এবং আমাদের সহযোদ্ধাদের নিয়ে গুজরাটের ক’সাই, দক্ষিণ এশিয়ার শ’ত্রু মোদিকে ঠেকাবো এবং তার এদেশীয় দালাল সরকার হাসিনাকে উ’ৎখাত করবো।

এর মাধ্যমেই কেবল আমরা আমাদের কমরেডদের মুক্ত করতে পারি এবং বাংলাদেশকে মুক্ত গণতান্ত্রিক সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয়, আজ সারা দেশ কা’রাগারে পরিণত হয়েছে। সতেরো কোটি সাধারণ মানুষ এই কা’রাগারে ব’ন্দী জীবন যাপন করছে। বাংলাদেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। পুলিশি রাষ্ট্র এবং কা’রাগার ভা’ঙা ছাড়া এদেশের মানুষের মুক্তি আসবে না।

ফেসবুকে লাইক দিন