যে কারনে মাওয়া ঘাটে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি হচ্ছে

ইমান২৪.কম:  শিমুলিয়া ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠা-নামা প্রত্যেক স্তরেই রয়েছে সক্রিয় চাঁদাবাজ। পরিবহন ভেদে চাঁদা দিতে হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত।

চালকদের অভিযোগ, এসব পরিবহন থেকে ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা আদায়ে জড়িত রয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ, আনসার ও কিছু দালাল চক্র। কর্তৃপক্ষ বলছে, এর দায় বিআইডব্লিউটিএ’র নয়, বিআইডব্লিউটিসি’র।

মাওয়া ফেরিঘাটের পার্কিংয়ে কয়েক হাজার গাড়ির জটলা। কেন এত জটলা জানতে চাইলে এক চালক জানান, পুলিশ, লাইনম্যানকে চাঁদা দেয়া ছাড়া কোনো গাড়ি ফেরিতে উঠতে পারে না।

এর জন্য দিতে হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকা এক ট্রাক চালক বলেন, ‘দুই হাজার, তিন হাজার টাকা…, যার কাছ থেকে যা পারছে নিচ্ছে। আমরা সিরিয়াল ধরে বসে আছি আর তারা এসে টাকা দিয়ে চলে যাচ্ছে।’ এবার ঘটনা স্বচক্ষে দেখতে সময় টিভির প্রতিবেদক হাজির হয় মাওয়া ফেরিঘাটের ২ নম্বর ঘাটে। সেখানে দেখা যায়, প্রত্যেকটি পরিবহন থেকে চাঁদা নিচ্ছে একজন। যা তাদের কাছে সালামি বা বখশিশ হিসেবে পরিচিত।

জানা গেছে, ভাগ-বাটোয়ারায় জড়িত এখানকার কর্মকর্তা, পুলিশ ও লাইনম্যান। যা আদায় করেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। কিসের জন্য টাকা তুলছেন জানতে চাইলে একজন বলেন, ‘গাড়ি উঠা-নামা করে। তারা খুশি হয়ে দিচ্ছে।

আরও সংবাদ: ভারতকে পাকিস্তানের কঠোর হুঁশিয়ারি

ভারতীয় বিএসএফ বাংলাদেশে ঢুকে গুলি চালিয়েছে: বাড়িঘরে হামলা, গুলিবিদ্ধ ৪

ফেসবুকে লাইক দিন