যে কারনে ধৈর্য ফুরিয়ে এসেছে বাংলাদেশের

ইমান২৪.কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাত না চাইলেও, বাংলাদেশের ধৈর্য ফুরিয়ে এসেছে। মঙ্গলবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন বিলম্বিত করার জন্য মিয়ানমার নানা অজুহাত খুঁজছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের কোনো সুযোগ দেয়া হবে না। সীমান্ত সংঘাত চাননি বলেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে গত বছরের আগস্টে লাখ লাখ রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। সেই সংখ্যা এক সময় ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। মানবিক কারণে পালিয়ে আসা বিশাল সংখ্যক এই জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয় বাংলাদেশ। এরপর রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে গত নভেম্বরে দুইদেশ সমঝোতায় পৌঁছায়। তারপর কয়েক দফা বৈঠকে করেও নানা অজুহাতে চুক্তি বাস্তবায়ন বিলম্বিত করছে মিয়ানমার।

এ অবস্থায় মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থান কালে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত নেয়া বিলম্বিত করতে নতুন কৌশল খুঁজছে মিয়ানমার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জয়েন্ট কমিটি করেছি দুই দেশের মধ্যে। সব কিছুই ঠিক আছে। কিন্তু তারা ফিরিয়ে নিতে আগ্রহী না। মিয়ানমার নতুন নতুন খোঁড়া যুক্তি দেখাচ্ছে।’

বাংলাদেশ জনবহুল দেশে উল্লেখ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ দেয়া সম্ভব না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আবার নতুন করে আমাদের জনসংখ্যার চাপ বাড়াতে চাই না। আমরা দেশ এটা বহন করতে পারবে না।’ সাক্ষাৎকারের বাংলাদেশের সরকার প্রধান রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান

আরও পড়ুন: অবশেষে বহুল আলোচিত ‘ইভিএম’ প্রকল্প পাস করলো আ. লীগ

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জাতীয় পার্টি নিশ্চিত রাষ্ট্রক্ষমতায় যাবে : এরশাদ

ফেসবুকে লাইক দিন