যেসব দেশে ‘ভালোবাসা দিবস’ পালন নিষিদ্ধ

ইমান২৪.কম: আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে কথিত বিশ্ব ‘ভালোবাসা দিবস’। বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মতো বাংলাদেশেও ভালোবাসা দিবস পালিত হয়। তবে বিশ্বের অনেক দেশ রয়েছে, যারা নিজেদের দেশে ভালোবাসা দিবস পালন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক সেদেশে ভ্যালেন্টাইন উৎসব বা ভালোবাসা দিবস নিষিদ্ধ করা হয়। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিকভাবে এ দিবস উদযাপন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়। অনেক মুসলিম দেশ রয়েছে যেখানে দিবসটি পালনে বিশেষ নিষেধ রয়েছে।

সম্প্রতি পাকিস্তানেও ২০১৭ সালে ইসলামবিরোধী হওয়ায় ভ্যালেন্টাইন উৎসব নিষিদ্ধ করে সেদেশের আদালত।

দ্বিতীয় বছরের মত পাকিস্তানে ভালোবাসা দিবসের প্রচারণা বন্ধ আছে। গত বছর আদালত দিবসটিকে ইসলাম বিরোধী ঘোষণা করেছিল। শুধুমাত্র পাকিস্তানেই এমনটি না। আরো অনেক দেশ আছে যেখানে ভালোবাসা দিবসের উদযাপন নেই।

সৌদি আরবের পুলিশ ভালোবাসা দিবস উদযাপন নিষিদ্ধ করেছে। রেস্টুরেন্টে নারী-পুরুষের জন্য আলাদা সীট। সেখানে জনসম্মুখে ভালোবাসার অনুভূতি প্রদর্শনও ট্যাবু কিন্তু মালীরা গভীর রাতে গোপনে অনেকের কাছে ফুলের তোড়া সরবরাহ কওে থাকে।

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়াতেও দিবসটি উদযাপন নিয়ে বিরোধিতা চলছে। রক্ষণশীলদের ধারণা ভালোবাসা দিবসে সেক্স এবং এলকোহল পানে উৎসাহ জোগায়। তা সত্ত্বেও এটি এখনো জনপ্রিয় শুধু মাত্র ইসলামিক অধ্যুষিত আচেহ প্রদেশে নিষিদ্ধ।

ভারতে প্রতি বছর অসংখ্য দিবস উদযাপন করা হয় কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল ভালোবাসা দিবসকে ‘পমিশ্চমা সংস্কৃতি’ বলে নিরুৎসাহিত করে থাকে। একটা দল বলেছিল ভালোবাসা দিবসে কোন প্রেমিক যুগলকে পাওয়া গেলে তাদের বিয়ে দেওয়া হবে।

ইরানের তরুণদের কাছে ভালবাসা দিবস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এর মধ্যে ৭০% লোকের বয়সই ৩০ বছরের নিচে। কিন্তু তারপরেও বালবাসা দিবস পালনের অনুষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। কতৃপক্ষ এটাকে ‘পশ্চিমা বিশ্বেও অধ: পতিত সংস্কৃতি’ হিসেবে ব্যাখ্যা করে থাকে।

ইরানের ইসলামি আইনে অবিবাহিত প্রেমিক যুগলদের একসাথে মেলামেশা করা অবৈধ।

তাই আপনি যদি ভালোবাসা দিবস পছন্দ না করে থাকেন, আপনি কিন্তু একা নন।

>>পহেলা ফাল্গুনে হোটেল থেকে স্কুলছাত্রীসহ ২৯ তরুণ-তরুণী আটক

অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে আবাসিক হোটেল থেকে ৩১ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২৯ তরুণ-তরুণীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর দুইজন স্কুলছাত্রী, যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় তাদের সেফহোমে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে ফরিদপুর শহরে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শহরের দুইটি আবাসিক হোটেল থেকে ওই তরুণ-তরুণীদের আটক করা হয়। দুপুরের দিকে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) পারভেজ মল্লিক।

আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ রয়েছে যে, ফরিদপুর শহরের বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল প্রতিনিয়ত অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে শহরের রংধনু আবাসিক হোটেল ও হোটেল গুলশান প্যালেসে অভিযান চালানো হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী হাকিম পারভেজ মল্লিক জানান, সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত শহর গড়তে জেলা প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি জানান, আটক ৩১ জনের মধ্যে ২৯ জনের প্রত্যেককে দণ্ডবিধির ২৯৪ এর ‘ক’ ধারা মোতাবেক ৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে একজন হোটেল কর্মচারী রয়েছেন।

আরও পড়ুন: ধর্ম যার যার উৎসব সবার : বললেন প্রধান বিচারপতি

কাদিয়ানি ইজতেমা বন্ধে পঞ্চগড়ে ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৫০

স্কুলে ধর্ম শিক্ষক হিসেবে কওমি শিক্ষার্থীদের নিয়োগের দাবি সংসদে (ভিডিও)

‘রাস্তায় নামেন, রাস্তায় বসে মোনাজাত ধরেন’: বিএনপিকে ডা. জাফরুল্লাহ

আমার মনে হয়েছে আমি জাহান্নামে ছিলাম : চীনা বন্দিশিবির থেকে ফিরে এক নারী

যখনই আমি ভুল করবো আপনি শুধরে দিবেন: মাওলানা তারিক জামিলকে ইমরান খান

ফেসবুকে লাইক দিন