মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধ’র্ষ’ণ করতেন বাবা!

ইমান২৪.কম: সিলেটের ওসমানীনগরে দীর্ঘদিন ধরে লম্পট বাবার লা’লসার শি’কার হয়ে আসছে এক মাদ্রাসাছাত্রী (১৪)। উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের রাইকদারা (নোয়াগাঁও) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে মেয়েটির পিতা মাসুক মিয়া (৪২) প’লাতক থাকলেও সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে সিলেট মহানগর পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন এলাকা থেকে গ্রে’প্তার করে ওসমানী নগর থানা পু’লিশ।

এ ঘটনায় কিশোরীটির চাচি ওসমানীনগর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। জানা যায়, নি’র্যা’ত’নের শিকার শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির আবাসিক শিক্ষার্থী। গত রমজানে ছুটিতে বাড়ি এসে প্রায় দেড় মাস অবস্থান করে।

এ সময় তার বাবা মেয়েকে একা পেয়ে এ’কাধি’কবার কু’প্র’স্তাব দেন। মেয়েকে মেরে ফেলার হু’ম’কি দিলেও পিতার কু’প্র’স্তাবে রাজি হয়নি সে। কিন্তু মাসুক মিয়া তার মেয়েকে ঘু’মের ওষুধ খাইয়ে ধ’র্ষ’ণ করেন।

পরের দিন ঘুম থেকে উঠে মেয়েটি বুঝতে পেরে। কিন্তু ভয়ে বিষয়টি গো’পন রেখে মেয়েটি আবারো মাদ্রাসায় ফিরে যায়। পরবর্তী সময়ে ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়ি এলে আবারো তার ওপর যৌ’ন নি’র্যা’তন চালায় কিশোরীটির বাবা।

এতদিন ভয়ে বিষয়টি গো’পন রাখলেও গত বৃহস্পতিবার শিশুটি বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি তার বড় চাচিকে জানায়। এ ঘটনায় রোববার রাতে চাচি কিশোরীটিকে নিয়ে থানায় হাজির হয়ে একটি ধ’র্ষ’ণ মা’মলা দায়ের করেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে প’লাতক থাকে মেয়েটির বাবা।

পরে ওসমানী ন’গর থা’না পু’লিশের অ’ভিযানে মেয়েটির বাবাকে গ্রে’প্তা’র করা হয়। মামলার বাদী চাচি বলেন, “প্রায় ৬ বছর আগে মেয়েটির মা ৪ কন্যা স’ন্তান রেখে মা’রা গেলে তার বাবা আরও দুটি বিয়ে করে। কিন্তু বনিবনা না হওয়ায় পরের বি’য়েগুলো ভে’ঙে যায়।

নি’র্যা’তি’ত মেয়েসহ তারা ৩ বোন মাদ্রাসায় থেকে লেখাপড়া করছে এবং ছোটটি আমার কাছে রয়েছে। বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা থেকে ফিরে এসে রাতে ঘুমানোর জন্য মেয়েটি তার বাবার সাথে থাকতে অসম্মতি জানায়। কারণ জানতে চাইলে, বর্ণনা শুনে হতবাক হয়ে যাই। পরে পুলিশের কাছে ধ’র্ষ’ণের অ’ভি’যোগ করা হয়।

ফেসবুকে লাইক দিন