মুসলমানরা আগে আক্রমন করে না, কিন্তু আঘাত আসলে কাউকে ছাড়ে না: অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান

ইমান২৪.কম: মুসলমানরা শান্তিকামী। অশান্তি সৃষ্টি করা মুসলমানদের কাজ নয়। ইসলামও এটা সমর্থণ করে না। কাজেই দেশে দেশে যত অশান্তি তা সৃষ্টি করেছে কাফের ও বেঈমানরাই। মুসলমানরা কাউকে আগে আক্রমন করে না, কিন্তু আঘাত আসলে কাউকে ছাড়ে না। মঙ্গলবার বিকেলে পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে ভারতীয় দুতাবাস অভিমুখে অনুষ্ঠিতব্য গণমিছিল ও স্বারকলিপি পেশ কর্মসূচি সফলের জন্য আয়োজিত সহযোগি সংগঠনসমূহের সাথে মতবিনিময় সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পরই মুসলমানদের উপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়েছে। মুখে ধর্মনিরপেক্ষতার শ্লোগান, আর বগলে ইট। এধরণের বেঈমানী সহ্য করা হবে না। মুসলমানরা সাতশত বছর ভারতবর্ষ শাসন করেছে। কিন্তু কোন হিন্দুকে আঘাত করেনি। বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ, তাই এদেশেও হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বরীরা অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে তাদের ধর্মীয় কর্মকান্ড করে থাকে। ভারতে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিক থেকে দ্বিতীয় এবং ২৯% শতাংশ।

তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ভারতে নির্যাতিত মজলুম মুসলমানের পক্ষে কথা বলার আহ্বান জানান। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, প্রিন্সিপাল শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, হাফেজ মাও. ছিদ্দিকুর রহমান,

শেখ ফজলুল করীম মারূফ, এডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, অধ্যাপক শেখ নাসির উদ্দিন, শহিদুল ইসলাম কবির। সৈয়দ ওমর ফারুক, এডভোকেট মুহাম্মদ হানিফ, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, মাও. এবিএম জাকারিয়া, মাও. আরিফুল ইসলাম প্রমুখ। সহযোগি সংগঠনের মধ্যে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী যুব আন্দোলন, ইসলামী আইনজীবী পরিষদ, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম, ইসলামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকে লাইক দিন