মামলার খবর শুনে অভিনেতা সিদ্দিক বললেন ‘সুন্নাত পালন করে যদি জেল বা ফাঁসি হয় তবে হোক’

ইমান২৪.কম: সাবেক স্ত্রীকে না জানিয়ে ছেলের খতনা করেছেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক। ছেলের এই সুন্নত পালন করায় চটেছেন তার সাবেক স্ত্রী মারিয়া মিম।

তিনি শনিাবর (১২ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশান থানায় সিদ্দিকের নামে একটি সাধারণ ডায়েরীও করেছেন। সাবেক স্ত্রীর সাধারণ ডায়েরির বিষয়টি গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছেন সিদ্দিক।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছেলের সুন্নতে খতনা করানো প্রতিটি মুসলিম বাবার দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করেছি আমি। এটা ইসলাম ধর্মের একটা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। এই সুন্নত পালন করতে গিয়ে যদি আমার জেল বা ফাঁসিও হয় তবে হোক।

এ নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই’। সিদ্দিকের সাবেক স্ত্রী মারিয়া মিম ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আমাকে সিদ্দিক ফোন দিয়ে বলল, বাবুকে আজকে দাও, একটা বিয়ের প্রোগ্রামে যাব। আমি বললাম, ওকে ফাইন।

দিয়ে আসলাম বাবুকে সুন্দর করে রেডি করে। একটু আগে ফোন দিল, সাউন্ড পাচ্ছি বাবু কান্না করতেছে। আমি বললাম, কী হইছে? সিদ্দিক বলল, ওরে তো সুন্নতে খতনা করালাম। ওহ, মাই গড, আমি জানতে পারব না, ওরা আমার বাচ্চাকে নিয়ে যা খুশি করতে পারে না।

সুন্নতে খতনা করায়ে দিল! এটা তো একটা ক্রাইম।’ ফেসবুক মারিয়া মিম আরও লেখেন, ‘যেখানে কোর্ট অর্ডার বাচ্চা মর্নিংয়ে যাবে এবং ইভিনিংয়ে চলে আসবে, জাস্ট থাকবে কিছুক্ষণ। আর সেখানে সে এত বড় ডিসিশন নিয়ে নেবে উইদাউট মাই পারমিশন?’

গণমাধ্যমকে সিদ্দিক জানিয়েছেন, তিনি বাবা হিসেবে সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, ওর মাকে বারবার বলার পরও কাজটি করে নাই। আমার বাচ্চার বয়স ৮ বছর হয়ে গেছে। এখনই সুন্নত কাজ না সারলে আল্লাহ নারাজ হবেন।

তাই বাবা হিসেবে আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। ২০১২ সালে ২৪ মে মারিয়া মিমকে বিয়ে করেন সিদ্দিক। পরের বছর ২৫ জুন পুত্র সন্তান আসে এ দম্পতির ঘরে। মিমকে মিডিয়ায় কাজ করতে বাধা দেওয়ায় শুরু হয় তাদের মধ্যে মনোমালিন্য। তার জেরে ২০১৯ সালের অক্টোবরে বিচ্ছেদ ঘটে তাদের। তারপর থেকে নিয়ম অনুযায়ী বাবা ও মায়ের কাছেই থাকছিল আরশ রহমান।

ফেসবুকে লাইক দিন