মাথায় হেলমেট হাতে অস্ত্র, জবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

ইমান২৪.কম: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ চলে। পুরো ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে চাপা উত্তেজনা। উভয়পক্ষই দেশীয় অস্ত্র ও মাথায় হেলমেট পরিহিত অবস্থায় ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে।

জানা যায়, জবি ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত হওয়ার পর পদপ্রত্যাশী কয়েকটি গ্রুপ বেশ কিছুদিন ধরে ক্যাম্পাসে মহড়া দিয়ে আসছিলেন। সোমবার সকাল থেকে একটি গ্রুপ ক্যাম্পাসে মহড়া দিতে থাকে এবং বহিস্কৃত ও চাঁদাবাজদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে।

বেলা ১২টার দিকে পদপ্রত্যাশী আরেকটি গ্রুপ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দুগ্রুপের সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। তারা আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিত্সা নিচ্ছেন। দুপুর দুইটায় এ খবর লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছিল। ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

>>ডাস্টবিন থেকে ৩৩ নবজাতকের লাশ উদ্ধার, জনমনে আতঙ্ক

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাস্টবিন থেকে অন্তত ৩৩টি নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাত ৮টার দিকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। এক সঙ্গে এতো অপরিণত শিশুর মরদেহ উদ্ধারের খবরে জনমনে আতঙ্ক এবং বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মী মিরাজ হাওলাদার জানান, অন্যান্য দিনের মতো সোমবার সন্ধ্যার পর সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে বর্জ্য অপসারণ করতে যায়। কাজ শুরুর মুহূর্তে একই সঙ্গে স্তুপ আকারে বেশকিছু অপরিণত শিশুর লাশ দেখে আতকে ওঠে তারা। এসময় ভয়ে তারা বর্জ্য অপসারণের কাজ বন্ধ করে দেন। মরদেহগুলো অপসারণ না করা পর্যন্ত তারা বর্জ্য অপসারণ না করার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মোদাচ্ছের কবির জানান, শের-ই বাংলা মেডিকেলের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ঘটনাস্থলে স্তূপ আকারে থাকা অপরিণত শিশুর মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে তিনটি নবজাতকের দেহ ছিল পাত্রে ভরা। অপরিণত শিশুর মরদেহগুলো হাসপাতালের গাইনী বিভাগ থেকে ফেলা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এদিকে, ক্যাম্পাস থেকে এক সঙ্গে ৩৩টি অপরিণত শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাৎক্ষণিক জানতে চাইলে দায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন শের-ই বাংলা মেডিকেলের পরিচালক।

তবে মুঠোফোনে পরিচালক ডা. বাকীর হোসেন বলেন, এটি তার বিষয় নয়। হাসপাতালের গাইনী বিভাগের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য নবজাতকের মরদেহগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছিল। মেয়াদ শেষে মরদেহগুলো ফেলে দেয়া হয়। আবার নতুন মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়।

তবে ফেলে দেয়ার সময় হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টারকে জানালে তারা মরদেহগুলো নিরাপদে মাটিচাপা দিতেন। কিন্তু গাইনী বিভাগ থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে মরদেহগুলো ডাস্টাবিনে ফেলার কারণেই এই বিপত্তি দেখা দিয়েছে।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন শের-ই বাংলা মেডিকেলের পরিচালক ডা. বাকীর হোসেন। এসময় তিনি ‘এভাবে লাশগুলো ফেলা উচিত হয়নি’ উল্লেখ করে বলেন, এ ঘটনায় দেশের কাছে আমাদের প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. খুরশিদ জাহান ও নার্সিং ইনচার্জ জোসনা আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার তদন্তে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, এই ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, নবজাতকের মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:  এবার পাক সেনা বহরে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৯

হামলার জবাব দিতে কতটুকু প্রস্তুত ভারতের সেনাবাহিনী?

ভারত-পাকিস্তান সিমান্ত রণসাজে সজ্জিত, ৬০০ ট্যাংক পাঠালো পাকিস্তান

আবারও ব্যাপক সংঘর্ষ কাশ্মীরে, ভারতীয় বাহিনীর মেজর-সহ নিহত ৫

ভারতের পাশে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল, পাকিস্তানের পক্ষে চীন

আমার মনে হয়েছে আমি জাহান্নামে ছিলাম : চীনা বন্দিশিবির থেকে ফিরে এক নারী

ফেসবুকে লাইক দিন