মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও হয়রানির অভিযোগ

ইমান২৪.কম: রাজস্ব আহরণকারী মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও হয়রানির অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, ঘুষ না দিলে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখাসহ নানা ভোগান্তিতে ফেলেন তারা। কেন্দ্র থেকে নির্ধারণ করে দেয়া রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে অনেক সময় সঠিক সেবা দেয়া সম্ভব হয় না বলে স্বীকার করেছেন অনেক কর্মকর্তা। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অসৎ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাজস্ব বোর্ড।

সরকারের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অর্থবছরের শুরুতেই বিভিন্ন কর অঞ্চলকে টার্গেট নির্ধারণ করে দেয় রাজস্ব বোর্ড। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই টার্গেট পূরণে সারা বছর ছুটতে হয় মাঠ পর্যায়ের কর কর্মকর্তাদের। ছোট দোকান থেকে বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান, খুচরা ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে আমদানিকারক, সব জায়গায় বিচরণ করেন কর কর্মীরা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এই টার্গেট পূরণ করতে গিয়ে নানা হয়রানি ও খারাপ আচরণ করেন কর আহরণকারীরা। অনেক সময় চাহিদা মতো ঘুষ না দিলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রেজারি চালান জব্দ করেন কর কর্মকর্তারা।

ব্লক করে দেয় ব্যবসা নিবন্ধন নম্বর -বিন। তারা বলেন, ইচ্ছা করলেই কোনো কর্মকর্তা বিন বন্ধ করে দিতে পারেন। ওই পিন আনলক করতে গেলে একটা খরচের ব্যাপার আছে। মাঠ পর্যায়ের কিছু অভিযোগের সত্যতা স্বীকারও করে কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার বিষয়টি ইতিবাচক। তবে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা চালু হলে হয়রানি অনেক কমে যাবে বলেও আশ্বাস দেন তারা। কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের (ঢাকা পূর্ব) অতিরিক্ত কমিশনার মুহম্মদ জাকির হোসেন বলেন,

ট্যাক্সদাতাদের সম্মান দিয়ে কথা বলার জন্য আমরা সবসময়ই কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে থাকি। আমাদের এখানে যেসব দুর্নীতি আছে সেগুলো বন্ধ করতেই ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে কেউ চাইলেও দুর্নীতি করতে পারবে না। সেই সঙ্গে কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রমাণ পেলে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের কাছে ক্ষমা চাইতে মাসুদা ভাট্টিকে লিগ্যাল নোটিশ

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেফতারে ড. কামালের উদ্বেগ, আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা

ফেসবুকে লাইক দিন