মামুনুল হকের পরিকল্পনায় মুনিরের নেতৃত্বে আল্লামা শফীকে হত্যা: মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন

ইমান২৪.কম: আল্লামা শফীকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ এনে আদালতে মামলার পর তার শ্যালক মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন অভিযোগ করেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নবনির্বাচিত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের পরিকল্পনা এবং আরেক যুগ্ম-মহাসচিব নাসির উদ্দিন মুনিরের নেতৃত্বে আল্লামা আহমদ শফীকে ‘হত্যা’ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিপলু কুমার দে’র আদালতে মামলা দায়েরের করেন মাইনুদ্দিন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনিরকে, পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মাওলানা মামুনুল হকের নাম।

বাকি আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিস, প্রচার সম্পাদক জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, সহকারী অর্থ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ ও সহকারী মহাসচিব হাবিব উল্লাহ।

মাইনুদ্দিন বলেন, ‘আল্লামা আহমদ শফী একজন বিশ্ববরেণ্য আলেম। ওনাকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর মামুনুল হক ঢাকা থেকে ফটিকছড়িতে এসে (জুনায়েদ) বাবুনগরীর বাসায় বসে ওয়ালিমার অনুষ্ঠানের নাম দিয়ে অন্য আসামিদের নিয়ে মিটিং করেন। পরে সেখান থেকে ঘোষণা দেয়া হয় হুজুরের ছেলে আনাস মাদানীকে বহিষ্কার করা না হলে হুজুরকে চরম মূল্য দিতে হবে। তারই অংশ হিসেবে ১৬ তারিখ হাটহাজারী মাদরাসায় আন্দোলন শুরু হয়।’

প্রশ্ন রেখে মাইনুদ্দিন বলেন, ‘মামুনুল হক তাহলে চরম মূল্য বলতে কী বুঝিয়েছিলেন সেদিন, হুজুরের মৃত্যু? এটা বলতে আমরা বুঝেছি তাকে হত্যার পরিকল্পনা।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হুজুরকে অক্সিজেন খুলে নিয়ে, রাইস টিউব খুলে নিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। যখন মেডিকেলে নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছিল, তখন তাকে প্রায় দেড় ঘণ্টা মাদরাসার দরজায় আটকে রাখা হয়েছিল। এ সময় মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনিরের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে হুজুরের অক্সিজেন খুলে নেয়া হয়। এসব আমরা মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছি।’

ফেসবুকে লাইক দিন