ভোলায় মুয়াজ্জিনের রহস্যজনক মৃত্যু

ইমান২৪.কম: ভোলার ধনিয়া ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন নুরে আলমের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার ভোলায় ধনিয়া ইউনিয়নে দুপুর ২টায় বালিয়াকান্দি জামে মসজিদে মুয়াজ্জিন নুরে আলমের গলায় ফাঁস লাগানো লাশ মসজিদের পাশে তার রুম থেকে উদ্ধার করে ভোলা থানা পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের আযান দেন মুয়াজ্জিন। এরপরে মসুল্লিরা জামাতে নামাজ পড়তে এসে মুয়াজ্জিনকে দেখতে পায়নি। অনেক ডাকাডাকির পরও না পেয়ে মুসুল্লিারা মুয়াজ্জিনের রুমে গিয়ে দেখেন জানালার গ্রিলের সাথে গলায় রশি লাগানো অবস্থায় লাশ ঝুলছে। পরে ভোলা সদর মডেল থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

মুয়াজ্জিনের পরিবারিক সূত্র জানায়, গত দুই মাস আগে বিবাহ করেন তিনি। সুখে শান্তিতে ঘর সংসার করছিলেন। তার স্ত্রীর সঙ্গেও কোনো ঝগড়া বিবাদ হয়নি। পারিবারিকভাবেও কোনো ঝগড়া বিবাদ ছিল না। হঠাৎ করে এমন মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। কেন মারা গেল জানি না। মনে হয় কেউ মেরে এমনভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে।

মুয়াজ্জিন নুরে আলম বাপ্তা ইউনিয়নের বাসিন্দা মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে।

ধনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ এমদাদ হোসেন কবীর জানান, দুপুরের দিকে খবর শুনে দৌড়ে এসে দেখি মুয়াজ্জিনের রুমের জানালার সাথে লাশ ঝুলসে। তারপর থানা পুলিশকে খবরে দেই। মুয়াজ্জিন অত্যন্ত একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

ভোলা সদর মডেল থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক ছগির মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মর্গের রিপোর্ট না আসা পযর্ন্ত বলা যাবে না। তবে মৃত্যুটি মনে হচ্ছে রহস্যজনক।

আরও পড়ুন:  নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে কিছু ভুলত্রুটি ছিল: সিইসি

‘ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বৃদ্ধির পেছনে ধর্মহীন শিক্ষা ও অশ্লীল সংস্কৃতি দায়ী’

সিজার করতে গিয়ে নবজাতককে কেটে ফেললেন চিকিৎসক : আটক ৩

শিশুদের দিয়ে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি, ভুয়া স্ত্রীসহ পুলিশের এসআই আটক

‘স্যার, আমি জাহালম, সালেক না’ : ৩৩ মামলায় ‘ভুল’ আসামি ৩ বছর ধরে জেলে

এখন থেকেপুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা যাবে সরাসরি, খোলা হয়েছে কমপ্লেইন সেল

ফেসবুকে লাইক দিন