ভোলার মেঘনা- তেঁতুলিয়ায় মিলেছে রূপালী ইলিশের দেখা

ইমান২৪.কম: দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ভোলার মেঘনা- তেঁতুলিয়া নদীতে কাঙ্খিত ইলিশের দেখা মিলেছে। আকাল কাটিয়ে ইলিশে ভরে উঠেছে মাছঘাটগুলো। নাওয়া-খাওয়া ভুলে ইলিশা ধরা আর মোকামে চালান করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীরা। এদিকে জেলেদের মুখে হাসি ফিরলেও বিলম্বে ইলিশের দেখা মিলায় সারা বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার বিষয়ে শংকা কাটেনি।

তবে মৎস্য বিভাগ বলছে, ইলিশ উৎপাদন লক্ষমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি জেলেদের ধার-দেনা পরিশোধে সহায়ক হবে শেষ মৌসুমের এ ইলিশ। দিনভর ধরা রূপালী ইলিশে নৌকা-ট্রলারে বোঝাই করে রাতে সাগর পাড়ের কুকরী-মুকরীর বিভিন্ন ঘাটে ফিরছেন জেলেরা। মহাজনের অড়তে রাতভর ইলিশ তুলে দিয়ে সকালে আবার নদীতে ছুটছেন। গত কয়েকদিন ধরে এভাবেই ব্যস্ত সময় পার করছেন দক্ষিণ ভোলার জেলেরা।

একই অবস্থা জেলার ছোট-বড় শতাধিক মাছ ঘাটের। সারা বছরের অপেক্ষার যেন কিছুটা অবসান হয়েছে। অলসতা কাটিয়ে ঘাটগুলোতে ফিরে এসেছে কর্মব্যস্ততা। মৌসুমের শুরু থেকে ইলিশ না পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে যে হতাশা আর ব্যবসায়ীদের পূঁজি হারানোর যে ঝুঁকি দেখা দিয়েছিল তাও কমে আসছে। তবে আগামী ৭ অক্টোবর থেকে মা ইলিশ রক্ষায় মাছ ধরা বন্ধের খবরে কিছুটা আতংকের মধ্যে রয়েছে তারা। ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘বিগত ৩-৪ দিন যাবৎ মোটামুটি মাছ পাওয়া যাচ্ছে। এভাবে একটানা ইলিশ পেলে জেলেরা মোটামুটি ভালো থাকবে।’

নাব্য সংকট ও সময় মতো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদীতে ইলিশ আসতে বিলম্ব হলেও বর্তমানে পরিবেশ অনুকুলে বলে জানান ওয়াল্ড ফিস বাংলাদেশ ইকোফিশ প্রকল্পের গবেষণা সহযোগী অংকুর ইমতিয়াজ। তিনি বলেন, ‘পরিবেশ অনুকূলে এজন্য ইলিশ বেশি পাওয়া যাচ্ছে। এভাবে যদি আমরা ইলিশ পেতে থাকি তাহলে ভোলার যে লক্ষ্যমাত্রা আছে ১ লাখ মেট্রিক টন তা পূরণ সম্ভব হবে।’ আর নদীতে রাত বাড়ার সাথে সাথে ইলিশ বেড়েছে উল্লেখ করে মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, এভাবে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও জেলেদের দাদনের বোঝাও কমবে।

আরও সংবাদঃ আপত্তি উপেক্ষা করেই সংসদে পাস হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল

সংসদে কওমি সনদের বিল পাশ করায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব

মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফেইন থাকায় এনার্জি ড্রিংক বিক্রি নিষিদ্ধ করলো বিএসটিআই

ফেসবুকে লাইক দিন