নীলফামারীতে একটি মাদরাসা ভেঙে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

ইমান২৪.কম: একটি ইবতেদায়ী মাদরাসা ভেঙে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের মৌজাপাঙ্গা পন্ডিতপাড়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসায়।

এ ব্যাপারে ডোমার থানায় অভিযোগ করেছেন মাদরাটির সভাপতি দুলাল হোসেন।

অভিযোগে জানা যায়, ১৯৬৮ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন মরহুম মৌলভী ছফির উদ্দিন। তিনিই প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তার মৃত্যুর পরে বর্তমানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন ফজলুল হক। মাদরাসাটি মঞ্জুরী হয় ১৯৮৫ সালে।

গত ১১ জানুয়ারি সকালে মাদরাসা সংলগ্ন এলাকার নুরুল হকের ছেলে মাওলানা রুহুল আমিন, লেলিন ইসলাম, শাহীন ইসলাম, অহেদ মোল্লা, ফজিলা বেগমসহ অজ্ঞাত ১০/১৫ জনের একটি দল মাদরাসায় প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বাধা প্রদান এবং মাদরাসার সভাপতিসহ শিক্ষকদের গালিগালাজ করে।

এ সময় মাদ্রামাদরাসার সভাপতি দুলাল হোসেনকে মারধর করে তারা। পরে মাদরাসার সকল টিনের বেড়া, চেয়ার টেবিল, বেঞ্চ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোর করে নিয়ে যায়।

বর্তমানে মাদরাসাটিতে শুধুমাত্র টিনের চাল রয়েছে। মাদরাসাটির সাটির সকল জিনিসপত্র রুহুল আমিন গং নিয়ে যাওয়ায় বর্তমানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে বলে জানান সভাপতি দুলাল হোসেন।

মাদরাসার সভাপতি দুলাল জানান, ২০১৭ সালের ২০ জুলাই মাদরাসাটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ডোমার থানায় জিডি করা হয়।

কিন্তু রুহুল আমিন সেই কাগজপত্র পেয়ে নিজেকে প্রধান শিক্ষক আর তার বাবাকে সভাপতি ও স্ত্রীকে দাতা সদস্য দেখিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে।

স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাকেরিনা বেগমকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি রুহুল আমিনের কাগজপত্র ফিরিয়ে দেন।

ফেসবুকে লাইক দিন