বাল্য বিবাহে যদি আপত্তি, বাল্য বয়সে পতিতাবৃত্তিতে অভিযোগ কেনো নাই?

সচেতনতা বৃদ্ধির নামে ওরা সাধারন মানুষগুলোকে ইসলাম ও তার শরীয়তকে অকেজো করার প্রত্যয়ে কিছু অনন্য(তাদের অভিমত) অপশক্তি চালাচ্ছে…
যার মধ্যে একটি অন্যতম অপশক্তি হলো বাল্যবিবাহকে অবিচার, অন্যায় কিংবা জুলুম হিসেবে আখ্যায়িত করে সমাজে বিভিন্ন প্রকার অশ্লীলতা ও বেহায়পনাকে অগ্রাধীকার দেওয়া।

বাল্য বিবাহ বিরুধী নারী সংস্থা, নারী অধিকার উন্নয়ন কর্মী, ইসলাম বিমুখ কুলাঙ্গার, সরকারী-বেসরকারী সংস্থাদের হস্তক্ষেপ বুঝিয়ে দিতে চায় দেশকে “বাল্যবিবাহ” নামক অশ্লীলতা আর সামাজিক অত্যাচারের কবল থেকে মুক্ত রাখতে তারা বদ্ধ পরিকর!!!

অথচ বাল্যকালে একজন ১২ বছরের কিশোরীকে পতিতালয়ে চড়া দামে খদ্দের নামে নরপিশাচ, ধর্ষকদের হাতে বিভিন্ন নম্বরের গড়া কক্ষের চাবি সহ তুলে দেয়া হচ্ছে। তখন ঐ সমস্ত নারী সংস্থা, নারী অধিকার উন্নয়ন কর্মী, ইসলাম বিমুখ কুলাঙ্গার, সরকারী-বেসরকারী সংস্থাদের হস্তক্ষেপ না করাটাকে মনে হয়, তারা যেনো “পতিতাবৃত্তিকে” যুগোপযোগী আর আরামদায়ক ও সমাজ গঠনে আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর!!

আর যখন সামাজিক ব্যাধি হিসেবে এ সকল অসামাজিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলে, তখন ইসলাম বিদ্বেশি কিছু অপশক্তি তাদেরকে সমাজের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করে বিভিন্ন অপবাদে ভূষিত করে। তাদেরই পোষা কিছু কুচক্রী মহল যাদেরকে অর্থের ফাঁদে ও লোভে আটকে রাখা হয়েছে।

আমাদের অনাগত সন্তানদের জন্য, আমাদের ইসলামী দায়ীত্বকে মুল্যায়িত করার জন্য আমাদেরকে এখনি সচেতন হওয়া জরুরী।  আর সেজন্য চাই দল মত নির্বিশেষে চুড়ান্ত পদক্ষেপ এবং কার্যকর ভূমিকা।

সবশেষে সংক্ষেপে বলে যেতে চাই,,,,
বাল্য বিবাহে যদি আপত্তি,
বাল্য বয়সে পতিতাবৃত্তিতে অভিযোগ কেনো নাই??

লেখকঃ মু. রবিউল ইসলাম 

ফেসবুকে লাইক দিন