বালিকার সঙ্গে ‘অসভ্যতা’, গ্রেপ্তার হলো মোরগ

ইমান২৪.কম: ভারতের মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলায় এক বালিকার সঙ্গে অসভ্য আচরণ করায় গ্রেপ্তার হলো প্রতিবেশীর মোরগ। স্থানীয় থানায় বালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মোরগটির সঙ্গে মালিককে সস্ত্রীক আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। ভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঋতিকা নামে পাঁচ বছরের ওই বালিকা তাদের বাড়ির সামনে খেলছিল। মোরগটি এ সময় তাকে আক্রমণ করে এবং তার গালে বার বার ঠোকরাতে শুরু করে। ঋতিকা রক্তাক্ত অবস্থায় কান্নাকাটি শুরু করলে তার মা পুনম কুশবাহা এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং তাকে নিয়ে থানায় যান। পুনম সেই মোরগ ও তার মালিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

পুনম জানান, ‘আমার প্রতিবেশী পাপ্পু ও তার স্ত্রীর পোষা এই মোরগের আচার-আচরণ মোটেই সুবিধার না। এটি বেশ কিছু দিন ধরেই আমার শিশুকন্যা ঋতিকাকে জ্বলাতন করেছে। এটির জ্বালায় ঋতিকা বাড়ির বাইরে বেরতে পর্যন্ত ভয় পায়। বার বার পাপ্পুদের এ বিষয়ে জানালেও কোনো ব্যাবস্থা নেয়নি তারা। আদরের মোরগ সম্পর্কে কোনো অভিযোগ কানেও তুলতেই রাজি নন তারা। গত পাঁচ মাসে প্রায় চার বার মোরগটি আমার মেয়েকে আক্রমণ করেছে’।

থানায় অভিযোগের পর পুলিশ মোরগসহ পাপ্পু ও তার স্ত্রীকে ডাকা হয়। পরে মোরগটিকে আটক করা হলে পাপ্পুর স্ত্রী ভেঙে পড়েন।

তিনি বলেন, ‘আমাকে জেলে পুরে মোরগকে ছেড়ে দেয়া হোক’।

পরে তিনি অবশ্য মোরগটিকে ‘গৃহবন্দি’ করে রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। জানা গিয়েছে, পাপ্পুরা নিঃসন্তান। কয়েক বছর আগে মোরগটিকে তারা মাত্র ৫ টাকায় কিনেছিলেন। তার পর থেকে তাকে তারা সন্তান স্নেহেই লালন করছেন। পরে অবশ্য পুনম ও পাপ্পুর পরিবার নিজেদের মধ্যেই আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে নেন।

আরও পড়ুন:  থানার দেয়ালে আ.লীগ নেতার মাথা থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা

চার দিনে দুই ভাগে ইজতেমা, মাও. সা’দপন্থীরা পাবে দুই দিন

‘ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বৃদ্ধির পেছনে ধর্মহীন শিক্ষা ও অশ্লীল সংস্কৃতি দায়ী’

গত এক মাসে ৫২ টি ধর্ষণ, ২২টি গণধর্ষণ এবং ৫টি ধর্ষণের পর হত্যা

৩৩ বছর ধরে এমপিওভুক্ত, ১৪জন শিক্ষক থাকলেও নেই কোনো ছাত্র

এখন থেকেপুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা যাবে সরাসরি, খোলা হয়েছে কমপ্লেইন সেল

ফেসবুকে লাইক দিন