বাংলাদেশের বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ, নিরাপদে আছেন ক্রু-যাত্রী সবাই

ইমান২৪.কম: ঢাকা থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের নতুন উড়োজাহাজ ময়ূরপঙ্খী ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে। পুরো কাজটি করেন অস্ত্রধারী এক ব্যক্তি। তবে পাইলট ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে উড়োজাহাজটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করায়।

অবতরণের পর কৌশলে উড়োজাহাজের ডানার পাশের চারটি ইমারজেন্সি গেট দিয়ে যাত্রীরা নেমে পড়েন। সব যাত্রীরা সুস্থ আছেন। তবে রবিবার সন্ধ্যায় ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়। পরে জানা যায় সেই ব্যক্তি মারা গেছেন।

বিমানের বিজি-১৪৭ ফ্লাইটটির একজন ক্রু জানান, বিকালে ঢাকা থেকে উড়োজাহাজটি উড়ে যায়। আকাশে প্রায় ১৫ হাজার ফুট ওপরে উঠার পর যাত্রীদের আসনে থাকা এক ব্যক্তি উঠে ককপিটের দিকে আসেন।

এ সময় ওই ব্যক্তি এক ক্রুর কাছে গিয়ে বলেন, আমি বিমানটি ছিনতাই করব। আমার কাছে পিস্তল ও বোমা আছে। ককপিট না খুললে আমি বিমান উড়িয়ে দেব। এটা বলে সঙ্গে সঙ্গে একটি পিস্তল ও বোমাসদৃশ একটি বস্তু বের করে ব্যক্তিটি।

ওই ক্রু আরো জানান, এর মধ্যে অন্য কেবিন ক্রুরা ককপিটে থাকা পাইলট ও সহকারী পাইলটকে গোপনে বার্তা দেন যে, উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।

উড়োজাহাজে থাকা একটি সূত্র জানিয়েছে, ককপিটের দরজা না খোলায় অস্ত্রধারী ব্যক্তিটি উড়োজাহাজের ভেতরে বিস্ফোরণের মতো ঘটান। ততক্ষণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করে উড়োজাহাজ। এরপরই রানওয়েতে বিমানটি ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ।

ওই বিমানে থাকা জাসদের সংসদ সদস্য মইন উদ্দিন খান বাদল গণমাধ্যমকে বলেন, বিমানে দেড়শ যাত্রী ছিল। পাইলট আমার সঙ্গে নেমে এসেছে। সে বলেছে, তাকে পারসু করার চেষ্টা করেছিল ছিনতাইকারী। বলেছিল, সে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে চায়।

আরও পড়ুন:  পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলি : মর্টার শেল ও ভারী গোলাবর্ষণ

চুপ করে বসে থাকবো না, পাল্টা হামলা চালাব: ইমরান খান

যেভাবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত চকবাজারে, দেখুন সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে

৫০টি পারমাণবিক বোমা একসঙ্গে মারতে হবে: পারভেজ মোশাররফ

ভারতে বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ৩ শতাধিক গাড়ি পুড়ে ছাই

যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতকে উপযুক্ত জবাব দেবে পাক সেনাবাহিনী: জেনারেল আসিফ গফুর

ফেসবুকে লাইক দিন