কবরস্থানে একা একা আসি, চুপি চুপি আসি, শুধু হুজুররা দেখে: শামীম ওসমান

ইমান২৪.কম: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, মায়ের একটি কষ্টের নিঃশ্বাস আট দোজখের চেয়েও ভয়াবহ। আর একটি সুখের হাসি সাত বেহেস্তের সমান। রাসুল (সা:) আল্লাহর কাছে দু’হাত তুলে দোয়া করে বলেছেন হে আল্লাহ আমাকে শাস্তি দিও না।

আমি যদি আমার মনের অজান্তে কোনো মুমিন বান্দাকে কষ্ট দিয়ে থাকি আমাকে ক্ষমা করে দিও। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর শহরের মাসদাইর কবরস্থান মসজিদে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক,

ভাষা সৈনিক ও স্বাধীনতা পদকে (মরোণত্তর) ভূষিত প্রয়াত একেএম শামসুজ্জোহার ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এ দুটি হাদিসের উদ্ধৃতি দেন। শামীম ওসমান বলেন, আমরা রাজনীতি করি। একটি দলও করি।

একটি নির্দিষ্ট লিমিট থেকে কথা বলতে হয়। কোনো সময় এমন কিছু বলতে হয় যা বলা উচিত নয়। আবার এমন কিছু বলা দরকার কিন্তু বলতে পারি না। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলি আমি, আমার বাবা, মা, ভাই বোন সন্তান কিংবা পরিবারের কারও কাছ থেকে যদি কোনো কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমাদের দয়া করে ক্ষমা করে দেবেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আলেম ওলামাদের বিশেষ সম্মান করি। কেন-না আমি যখন নারায়ণগঞ্জ থেকে পতিতা পল্লী উচ্ছেদ করতে চেয়েছিলাম, এই আলেম ওলামারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাই সবাইকে বলব কেউ তাদের অসম্মান করবেন না। আমি হাদিস শুনেছি- যারা আলেম ওলামাদের সম্মান করে না তারা রাসুলের উম্মত নন।’

এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘কবরস্থানে মাঝে মধ্যে একা একা আসি। চুপি চুপি আসি। শুধু হুজুররা দেখে। তাদের সঙ্গে কথা বলি। এই কবরস্থানে অনেক কোটিপতি ও ক্ষমতাবানরা শুয়ে আছেন। কেউ থাকতে পারবেন না। কষ্ট হয় এই কবরস্থানে একটি মাদরাসা ছিল।

এখানে কোরআন পড়ানো হতো। কবর জিয়ারত করতে আসলে ওই মাদরাসায় এসে বসতাম। সারাক্ষণ কোরআন তেলাওয়াত হতো। কবরস্থানবাসী হয়তো শান্তি পেত। কিন্তু সেই মাদরাসাটি আর নেই।’

ফেসবুকে লাইক দিন