ফেসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিলেন ই-ভ্যালির এম‌ডি

ইমান২৪.কম: ফেসবুকে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ডিজিটাল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালির ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক (এম‌ডি) মো. রা‌সেল। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসে নিজের জীবনের কিছু স্মৃতিচারণ করেন ডিজিটাল এ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হল:

জীবন নিয়ে লিখি নাই। এই লেখার কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য নাই। রাতে ঘুম হয় না, তাই লিখছি। এই ঘুম না আসা মনে হয় জন্মের পর থেকেই। ছোট বেলায় আমি নাকি কিছুটা বাক প্রতিবন্ধী ছিলাম। কথা বলতে পারতাম না, কিন্ত চিন্তার শক্তি ছিল।

অবশ্য অনেক ছোটবেলার স্মৃতি আমার মনে আছে। তখন ও সারারাত ভাবতাম। ভাবনাগুলো কখনও বলা হয়নি। তখন ভাবতাম আমি জন্মের আগে কোথায় ছিলাম। মৃত্যুর পর কোথায় যাব। ভয়ের ভাবনা হলেও ভয় পেতাম না। উত্তর খুজতাম।

ঠিক কখন ঘুমাতাম সময় বুঝতাম না। কিন্ত সবাই ঘুমানোর অনেক পর আমার ঘুম হতো। খুব মোটা ছিলাম, কেউ বেশিক্ষণ কোলে রাখত না। মাটি নিয়ে না না খেলা খলতাম। কেন জানি মুখ দিয়ে কিছু বের হতো না।

খেলার সাথিরা ভোম্বল বলে মেরে যেত, বিচার দেওয়ার জন্য কথা বলতে পারতাম না। ফলাফল স্কুল শুরু টা ক্লাস ওয়ান থেকে। গ্রামের স্কুল ছিল ওটা। জীবন প্রথম পর্ব পরীক্ষা বাংলা কত পেয়েছিলাম জানি না।

কিন্ত অংকে ৩২ পেয়েছিলাম। নিজের চাচি টিচার ছিল এই খাতা দেখার। ১ বেশি দিয়ে বলল এক মাত্র আমি ফেইল করেছি। ফেইল মানেই বুঝি নাই। শুধু বুঝেছিলাম সবার মন খারাপ। এর পর অংশ না বলি।

শুধু এটুকুই বলা যায়, রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এ ভর্তি আগের বছর আমাকে রোল ১ ঘোষনা দেয় নাই। দ্বিতীয়ের সাথে নাম্বার পার্থক্য একটু বেশিই ছিল। রেসিডেনসিয়াল স্কুল এর মাঠের টান এবং বাবা মা থেকে দুরে থাকার কষ্ট শুরুতে আমাকে পড়ালেখা খুব একটা টানতে পারে নাই।

বিপদে পড়লাম ঘুম নিয়ে। রাত জাগা থেকে বের না হতে পারলেও ভোরে উঠতে হতো। মনে হতো এই জীবনটা শেষ করে বড় হব কখন ! এর আগে আরেকটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে মো. রা‌সেল জানান, আমরা বিশ্বাস করি, শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

তারা যা যাচাই করতে চান, আমরা সহযোগিতা করবো। গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক বলেন, আমরা আপনাদের নৈতিক সমর্থন আশা করি। আমাদের সাথে থাকুন, আসুন আমরা সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করি।

ফেসবুকে লাইক দিন