পুলিশ বিএনপিকে যেখানে জনসভা করতে বলল

ইমান২৪.কম: গত সোমবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে জনসভা করার ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। পরে আবার মঙ্গলবার ওই তারিখ পরিবর্তন করে দুই দিন পিছিয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর শনিবার জনসভার নতুন তারিখ ঘোষণা করে দলটি। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী বলেন, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ২টায় রাজধানীর নয়াপল্টন অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে জনসভা সফল করার জন্য আহ্বান জানানো হলো। বিএনপির এই জনসভা করার ব্যাপারে ডিএমপির পক্ষ থেকে কোনো নিষেধ নেই। তবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা দলটির পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জনসভা করার অনুমতি দেবে না ডিএমপি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার শাহাবুদ্দিন কোরেশী জানিয়েছেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দুটি স্থানে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না।

ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট না পেয়ে আমরা কাউকেই বাইরে সমাবেশের অনুমতি দেব না। ‘তবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ (আইইবি) অডিটোরিয়ামে সমাবেশ করতে পুলিশের পক্ষ থেকে বিএনপিকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সেখানে সমাবেশ হলে পুলিশ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেবে’ বলে জানান তিনি। ‘সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে বলা হয়েছে, নিবন্ধিত কোনো রাজনৈতিক দল যদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায় তাহলে যেন ওই রাজনৈতিক দলকেও অনুমতি দেয়া হয়।

তাহলে কেন বিএনপিকে সেখানে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না।’ এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন কোরেশী জানান, অনুমতির বিষয়টি কেস টু কেস ভেরি করে। গোয়েন্দা প্রতিবেদন পর্যালোচনা, ট্রাফিক পরিস্থিতি বিবেচনা, ওয়ার্কিং ডে, তারিখ, সময় ইত্যাদি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, কোন ভেন্যু ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হবে আর কোনটিতে অনুমতি দেয়া হবে না। ভারপ্রাপ্ত কমিশনার আরও বলেন, অতীতে অনেক রাজনৈতিক দলকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতে বিএনপিকেও অনুমতি দেয়া হবে। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে নয়াপল্টনে বিশাল সমাবেশ করেছে বিএনপি। চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি একটি দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও কয়েকটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড মামলায়ও তার দণ্ড হতে পার বলে আশঙ্কা করছে বিএনপি।

খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি।২০১৪ সালে নির্বাচন বর্জন করা দলটি আগামী নির্বাচনে যাবে এমন প্রস্তুতি ভেতরে ভেতরে থাকলেও এখনও ঘোষণা আসেনি। তবে সরকারকে চাপে রাখতে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙা করতে নানা কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে দলটি।

আরও পড়ুুন: সিরিয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ন্যাটো যুদ্ধজাহাজের বহর

গাঁজা মিশৃত নতুন স্বাদযুক্ত কোকাকোলা আসছে বাজারে !

 

ফেসবুকে লাইক দিন