পাঁচ ওয়া’ক্ত নামাজ প’ড়াই কী আমার ভাই’য়ের অ’পরাধ?: আবরারের ছোট ভাই

ইমান২৪কম: ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে হ’ত্যাকা’ণ্ডের শি’কার বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন জানিয়ে তার ছোট ভাই আবরার ফাই’য়াজ প্রশ্ন করেছেন নামাজ পড়াই কী তার ভাইয়ের অপরাধ?

তিনি বলেন, আজ সকাল ১০টার দিকে বাবার কাছে ফোন করেন ফাহাদ ভাইয়ের এক রু’মমেট। প্রথমে ফোন করে অসু’স্থতার কথা জানালেও কিছু’ক্ষণ পর ফোন দিয়ে আবরার ফাহাদের মৃ’ত্যুর খবর দেন তিনি।

স্কুল জীবন থেকেই আমার বড়ভাই খুব মেধাবী। ইঞ্জি’নিয়ার হয়ে বিদেশ যাওয়ার স্ব’প্ন ছিল তার। কোন রাজ’নৈতিক দল বা কোনো সংগঠ’নের স’ঙ্গে তার কোনো সম্পৃ’ক্ততা ছিল না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো।

নামাজ পড়াই কী আমার ভাইয়ের অ’পরাধ? ছোট ভাই ফাইয়াজ আরও বলেন, ছুটিতে বাড়িতে এলেই সব’সময় বই পড়া নিয়ে ব্য’স্ত থাকতেন। মাঝে মাঝে দুই ভাই এক’সাথে হয়ে রিকশা করে কুষ্টিয়া শহরের অলিগলিতে ঘুড়াঘুড়ি করতাম।

এখন আর দুই ভাই একসাথে ঘুড়াঘড়ি করা হবে না ভাবতে বুক ফেটে যাচ্ছে। ই’ঞ্জিনি’য়ারিং পড়ে বিদেশে পাড়ি দিয়ে নিজেকে প্রতি’ষ্ঠিত করার স্ব’প্ন ছিল ফাহাদ ভাইয়ের। মৃ’ত্যু তার সেই স্ব’প্নকে পূরণ হতে দিল না।

কি অ’পরাধ ছিলো আমার ভাইয়ের? কেনোই বা ছাত্রলীগের নেতাকমীরা আমার ভাইকে হ’ত্যা করলো? জানি সবকি’ছুই ম্যা’নেজ হয়ে যাবে। বিচার আর হবে না বলে সংশয় প্রকাশ করে হু হু কে’দেঁ ফেলেন তিনি।

নি’হত আবরার ফাহাদ কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোড এলাকার বরককউল্লাহ ছেলে। উল্লেখ্য, সোমবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলের আবাসিক ছা’ত্র আবরার ফাহাদ ছা’ত্র’লীগ নেতাক’র্মী’দের হাতে হ’ত্যা’কা’ণ্ডের শিকার হয়। তিনি ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বষের ছাত্র।

ফেসবুকে লাইক দিন