নামাজের শারীরিক ও মানসিক উপকারিতাঃ

·সবচেয়ে বড় ইবাদত হলো নামাজ ৷ আবার কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম এ নামাজেরই হিসাব নেয়া হবে ৷ এতে নামাজীরা পাবে পরকালীন সফলতা ৷

·নামাজের উপকার কি শুধু পরকালেই? উত্তর হলো, না ৷ বরং ইসলামের প্রতিটি বিধান, ইবাদতের দুনিয়াবী উপকারিতাও রয়েছে ৷ নমূনা হিসেবে নামাজের শারীরিক উপকারিতার দিক তুলে ধরা হলো-

·দাঁড়ানো
মানুষ যখন নামাজে দাঁড়ায়; তখন সব চোখ সিজদার স্থানে স্থির থাকে। ফলে মানুষের একাগ্রতা ও মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।

·রুকু
নামাজি ব্যক্তি যখন রুকু করে এবং রুকু থেকে ওঠে সোজা হয়ে দাঁড়ায় তখন মানুষের কোমর ও হাঁটুর ভারসাম্য রক্ষা হয়। রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। ফলে কোমর ও হাটু ব্যাথা উপশম হয়।

·সিজদা
নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন নামাজি ব্যক্তির মস্তিস্কে দ্রুত রক্ত প্রবাহিত হয়। ফলে তার স্মৃতি শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আবার সিজদা থেকে ওঠে যখন দুই সিজদার মাঝখানে বসে এতে তার পায়ের উরু ও হাঁট সংকোচন এবং প্রসরণ ঘটে। এতে করে মানুষের হাঁটু ও কোমরের ব্যথা উপশম হয়।

·ওঠা বসা
নামাজের সময় নামাজি ব্যক্তিকে দাঁড়ানো, রুকুতে যাওয়া, রুকু থেকে ওঠে সোজা হয়ে স্থির দাঁড়ানো, আবার সিজদায় যাওয়া, সিজদা থেকে ওঠে স্থিরভাবে বসা, আবার সিজদা দিয়ে দাঁড়ানো বা বসা। এ সবই মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যায়াম। এতে মানুষের শারীরিক বহুবিদ উপকার সাধিত হয়।

·উল্লেখিত উপকারিতা ছাড়াও মানসিক অনেক উপকারিতা রয়েছে ৷ যেমন: নামাজের মাধ্যমে মানুষের মন ও মানসিকতায় অসাধারণ পরিবর্তন আসে। গোনাহ, ভয়, নীচুতা, হতাশা, অস্থিরতা, পেরেশানি ইত্যাদি দূরভীত হয়। ফলে বিশুদ্ধ মন নিয়ে সব কাজে সম্পৃক্ত হওয়া যায়।

লেখক ও সম্পাদকঃ মুফতি শহীদুল্লাহ নজীব আল-হাবিবী

ফেসবুকে লাইক দিন