ধর্মীয় রাজনীতি নি’ষিদ্ধ করা সংবিধান ও আ’ইন বিরোধী: ভিপি নুর

ইমান২৪.কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ নিয়ে ভিন্নমত জানিয়েছেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর৷

তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্ত হয়েছে ধর্মীয় উ’গ্রবা’দী, সা’ম্প্রদায়িক, মৌ’লবাদী রাজনীতি নি’ষিদ্ধ৷’ তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-র এজিএস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন

বলেন, ‘ডাকসুর বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি৷ ডাকসুর গঠনতন্ত্রেও এটা অন্তর্ভুক্ত হবে৷’-ডয়চে ভেলে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর বলেন,

‘ধর্মভিত্তিক বা ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রস্তাব ছিল ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক মাযহারুল কবির শায়ন ও সদস্য রাকিবুল ইসলামের৷ তবে আমি ও আমার প্যানেলের সমাজসেবা সম্পাদক ১৯৯০

সালে পরিবেশ পরিষদের যে সিদ্ধান্ত ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল ধরনের উ’গ্র মৌ’লবাদী সাম্প্র’দায়িক রাজ’নীতি নি’ষিদ্ধ এবং সামরিক স্বৈরশাসক এরশাদের ছাত্রসংগঠন নি’ষিদ্ধ—সেই প্রস্তাব দেই৷ পরে আমাদের প্রস্তাব মডারেট

করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ধর্মীয় উ’গ্রপ’ন্থি ও সাম্প্র’দায়িক, মৌ’লবাদী রাজনী’তি নি’ষিদ্ধ৷ সাধারণ ধর্মভিত্তিক রাজনীতি যে নি’ষিদ্ধ হয়েছে সেটা নয়৷’ তিনি বলেন, ‘আমরা তো সাধারণ ধর্মীয় রাজনীতি নি’ষিদ্ধ করতে পারবো না।

কারণ, এটা আমাদের বর্তমান সংবিধান ও আইনের বিরোধী৷ নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন নিয়ে অনেকগুলো ধর্মীয় সংগঠন রাজনীতি করছে৷ ডাকসুতে আমাদের আলোচনার সময় ভিসি স্যারও বলেছেন, ধর্ম অনেক সেনসিটিভ৷ যাতে কারোর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না লাগে- সেটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে৷’

নুর আরো বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ডাকসুর বৈঠকের শেষ দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের ৩৪ জনের ভর্তি জালিয়াতি ও জিএস রাব্বানীর বিষয়ে প্রশ্ন তোলায় আমাকে অপমান করায় আমি ওয়াক আউট করি৷

পরে তারা ধর্মীয় রাজনীতি নি’ষিদ্ধের নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি-না আমার জানা নেই৷ আমি থাকা অবস্থায় সিদ্ধান্ত হয়েছে ধর্মভিত্তিক কোনো উ’গ্র, মৌ’লবাদী, সাম্প্রদায়িক সংগঠন নি’ষিদ্ধ৷ এটা ডাকসুর গঠনতন্ত্রেও অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়৷ সাধারণভাবে ধর্মীয় রাজনীতি নি’ষিদ্ধের কোনো সিদ্ধান্ত তখন হয়নি৷’

ফেসবুকে লাইক দিন