তারা স্বাধীনতাবিরোধী, যারা বলে জাতীয় সঙ্গীত বদলাও: মোজাম্মেল হক

ইমান২৪.কম: রবীন্দ্রনাথের লেখা ‘আমার সোনার বাংলার’ চেয়ে প্রিন্স মাহমুদের ‘বাংলাদেশ’ গানটি দেশকে আরও বেশি প্রকাশ করে বলে মন্তব্য করায় এবার গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের

সমালোচনা করলেন দুই মন্ত্রী। তারা হলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। রোববার দুপুরে রাজধানীতে ‘চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধুর অবদান’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু পতাকা বা মানচিত্র পাবার জন্য হয়নি। যুদ্ধ হয়েছে মানুষের মুক্তির জন্য। যারা বলে পতাকা বদলাও, যারা বলে জাতীয় সঙ্গীত বদলাও, তারা স্বাধীনতাবিরোধী। এদের শেকড় বঙ্গবন্ধুর খুনীদের

সাথে। একই অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা এম এ মান্নান বলেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে জেনে কথা বলুন। বিশেষ করে তরুণরা। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে না বলে সঙ্গীত শিল্পী নোবেল যে মন্তব্য করেছে

তা জঘন্য মন্তব্য। এর প্রতিবাদ হওয়া উচিত। কিছুদিন আগে, একটি সাক্ষাৎকারে নোবেল বলেন, প্রিন্স মাহমুদ স্যারের লেখা এই গানটা (বাংলাদেশ) নিয়ে আমি একটা কথা বলবো। তা নিয়ে হয়তো অনেকে অনেক কিছু

আমাকে বলতে পারে। হয়তো খারাপ মনে করতে পারে। বাট এটা আমার পারসোনাল অপিনয়ন একদমই। আমি মনে করি যে, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’ আমাদের দেশটাকে যতোটা এক্সপ্লেইন

করে তার থেকে কয়েক হাজার গুণে বেশি এক্সপ্লেইন করে প্রিন্স মাহমুদ স্যারের লেখা এই গানটা। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত যেটা আছে সেটা হয়তো রূপক অর্থে অনেক কিছু বুঝিয়ে দেয়। বাট এটা কিন্তু একদম স্ট্রেইট

ফরোয়ার্ডলি আমাদের ইতিহাস, আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের আবেগের স্থানটা প্রপারলি তুলে ধরে। তখন উপস্থাপক বলেন, ‘সেটার কারণ হয়তো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখাটা তো আসলে অনেক আগের লেখা। এনথেম

হিসেবে লেখনওনি।’ এই কথার সাথে একমত পোষণ করে নোবেল আরও যোগ করেন, ‘আর আপনারা জানবেন যে, ঢাকা ভার্সিটির অনেকে কিন্তু মিছিলও করেছিলো যে এই গানটাকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে করা হোক আরকি।’

আরো পড়ুন>> ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের পরিণতির বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ‘ইরানে হামলা করলে হামলাকারীরা চোরাবালিতে আটকা

পড়বে’ বলে এক টিভি সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেন ইমরান। খবর: বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ। তিনি আরও বলেন, আমি ইরানের শহীদি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত। বিশ্বের নেতৃবৃন্দের উচিত হবে না ইরানকে অন্য দেশগুলোর

সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা তাদের বোঝা উচিত। ইমরান খান বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবো’। ২০১৮ সালের মে মাসে আমেরিকা ইরানের পরমাণু

সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। আমেরিকা ইরানের তেল বিক্রির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

ইরান বলেছে, আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে। পাকিস্তান হচ্ছে ইরানের একটি প্রতিবেশী দেশ। ইরানের পাশাপাশি আমেরিকা ও সৌদি আরবের সঙ্গেও পাকিস্তানের সুসম্পর্ক রয়েছে।

ইমান২৪/এ/আর

ফেসবুকে লাইক দিন