জামায়াতে ইসলামীর বিচার শুরুর দাবি ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি’র

ইমান২৪.কম: জামায়াতে ইসলামীর বিচার কার্যক্রম শুরু করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি। একইসঙ্গে দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বঙ্গবন্ধুর নামে করার দাবি জানিয়েছে পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য এম এ আউয়াল।

রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংগঠনটি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান ও দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে এম এ আউয়াল বলেন, ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ এবং সৌদি আরব সরকারের অনুদানে দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প চালু আছে।

ইতোমধ্যে অন্তত ১৭০টি স্থাপনা নির্মাণ কার্যক্রম শেষ হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। হাজার বছরের বাঙালি কিংবদন্তি নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এ ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।

আমাদের দাবি, এই ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রকল্পের নামকরণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে করা হক।’ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে এম এ আউয়াল বলেন, ‘একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধ শক্তি ও রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী এখনও অবলীলায় তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

আমরা জানি, নির্বাচন কমিশনে দলটির নিবন্ধন স্থগিত আছে। বিশেষত উচ্চ আদালতে দলটিকে নিষিদ্ধের বিষয়টি এখন বিচারাধীন। দলমত নির্বিশেষে একাত্তরের পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে আবারও সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে দেশের মানুষ “ঘাতক, দালাল, রাজাকার, আলবদর নেতাদের বিচার নিশ্চিতের” মতো জামায়াতে ইসলামীর বিচার দেখতে চায়। ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি অবিলম্বে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।’

সংবাদ সম্মেলনে সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে একটি বিশেষ উদযাপন কমিটি গঠনের কথা জানান এম এ আউয়াল। তিনি বলেন, ‘দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাসুদ আহমদকে আহ্বায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ৫০ সদস্যবিশিষ্ট একটি উদযাপন কমিটি করা হয়েছে।’ দলের পক্ষ থেকে সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বছরব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন এম এ আউয়াল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত, সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বছরব্যাপী আলোচনা সভা, সেমিনার ইত্যাদি।

ফেসবুকে লাইক দিন