জাবিতে এবার ছাত্রীর হাতে ছাত্র শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত!

ইমান২৪.কম: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র তার বিভাগের বান্ধবীর হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ছাত্রী ওই ছাত্রকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন।

বুধবার প্রক্টর বরাবর দেয়া এক লিখিত অভিযোগপত্র থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ছাত্র ও অভিযুক্ত ছাত্রী দুজনই দর্শন বিভাগের প্রথম বর্ষের (৪৭ ব্যাচ) শিক্ষার্থী।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে ক্লাস রুটিন নিয়ে তাদের মধ্যে ফেসবুকে বাকবিতণ্ডা হয়। এসময় মেয়েটি ছেলেকে গালিগালাজ করে।

বুধবার দুপুর ২টার দিকে ক্লাসে ছেলেটি ওই মেয়েকে গালিগালাজ করার করাণ জানতে চাইলে মারধরের এ ঘটনা ঘটে। জনসম্মুখে মেয়েটি তাকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেয়।

এ অবস্থায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন। ভুক্তভোগী ছেলেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী ও মেয়েটা বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান যুগান্তরকে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। এমন ঘটনা সাধারণত বিভাগই তদন্ত করে। যদি বিভাগ তদন্ত না করে তবে আমরা দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।

দিনাজপুরে ৭ম শ্রেণির মেয়েরা ইয়াবায় আসক্ত, সেবন করছে হেরোইনও!

দিনাজপুরে ৭ম শ্রেণির মেয়েরা ইয়াবায় আসক্ত, সেবন করছে হেরোইনও!

জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম বলেছেন, আমাদের দিনাজপুরে সপ্তম ,অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির মেয়েরা ইয়াবায় আসক্ত, মাদকে আসক্ত। তারা হেরোইন, ফেনসিডিল সেবন করছে।

বুধবার দিনাজপুর আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে পারি না। আমাদের সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছেলে-মেয়েরা ৮/১০টি সিম ব্যবহার করে বিভিন্ন ভাষায় কথা বলে। ৮/১০ জন বন্ধুর সঙ্গে মিট করছে।

আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলছি, বঙ্গবন্ধুর বাংলার কথা বলছি কিন্তু আমরা যদি আমাদের সন্তানদের নীতি-আদর্শ বুঝাতে না পারি তাহলে তারা বড় ডিগ্রি নিয়ে সমাজকে দেশকে আলোকিত করতে পারবে না।

এসময় তিনি বলেন, যার এ দেশকে পাকিস্তান বানানোর স্বপ্ন দেখে, দেশকে ধ্বংস করতে চায় তারা আর যাই হোক দেশের বন্ধু হতে পারে না। মাদক ব্যবসায়ী ও জঙ্গিরা জামিন পেতে পারে না। যদিও জামিন দেয়া না দেয়া আদালতের এখতিয়ার।

হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, আমি নৌকার মাঝি, আপনারা নৌকার যাত্রী। মাঝি জানে না নৌকা কোন ঘাটে ভিড়বে। নৌকার যাত্রীরাই বলে দেবেন নৌকা কোন ঘাটে ভিড়বে। আর যদি তা না বলেন তাহলে নৌকা কোনো ঘাটে ভিড়বেও না, নৌকার নিরুদ্দেশ যাত্রাও শেষ হবে না। এটা হলে আমাদের যে লক্ষ্য, শেখ হাসিনার যে লক্ষ্য তা কোনো দিনই পূরণ হবে না। তাই আপনারা আমাকে আপনাদের জ্ঞান বুদ্ধি দিয়ে সহযোগিতা করবেন। পরামর্শ দেবেন। আপনাদের ভালোবাসা থেকে আমাকে বঞ্ছিত করবেন না।

তার বাবা প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম আব্দুর রহিমের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, খাওয়ার টেবিলে বসে আমার বাবা আমাদেরকে কম খেতে বলতেন। তিনি বলতেন কম খাও না হলে ভবিষ্যতে রাজনীতি করবা, বড় নেতা হবা তখন নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবা না। তখন চাল খাবা, গম খাবা, ডিম খাবা। নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবা না। এই পারিবারিক শিক্ষা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে।

আইনজীবীদের উদ্দেশে হুইপ বলেন, পেশার বাইরে গিয়ে সামাজিক কাজ করতে হবে। পাড়ায় মহল্লায় মসজিদে গিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আপনাদেরকে কাজ করতে হবে।

দিনাজপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান জাহানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমেদ ভুঁঞা, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আয়েজ উদ্দীন আহমেদ, জয়েন ডিস্ট্রিক্ট জজ তাসকিনুল হক, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইছাহক, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তহিদুল হক প্রমুখ। সূত্র: বিডি মর্ণিং

আরও পড়ুন:  হামলার মহড়া দিতে গিয়ে ভারতের দুই বিমান ধংস

চুপ করে বসে থাকবো না, পাল্টা হামলা চালাব: ইমরান খান

হামলার জবাব দিতে কতটুকু প্রস্তুত ভারতের সেনাবাহিনী?

ভারত-পাকিস্তান সিমান্ত রণসাজে সজ্জিত, ৬০০ ট্যাংক পাঠালো পাকিস্তান

আবারও ব্যাপক সংঘর্ষ কাশ্মীরে, ভারতীয় বাহিনীর মেজর-সহ নিহত ৫

জাপানি নারীর ইসলাম গ্রহণের হৃদয়বিধারক ঘটনা ও পর্দার প্রতি সন্মান

ফেসবুকে লাইক দিন