চোখ জুড়ানো দৃশ্য। এই হাসি অম্লান থাকুক চিরকাল…

দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারীর বার্ষিক মাহফিল ও দস্তারবন্দী সম্মেলন। লোকে লোকারণ্য ছিল হাটহাজারী এলাকা। তাশরীফ এনেছিলেন দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত বরেণ্য উলামায়ে কেরাম। সুফেদ পাঞ্জাবী, টুপি পরিহিতদের পদচারণায় মুখরিত ছিল হাবীবি কানন। হাটহাজারী পরিণত হয়েছিল আল্লাহওয়ালাদের মিলনমেলায়। এ এক নূরানী মজলিশ। এই নূরানী মজলিশে অংশগ্রহণ করতে কে না চায়? তাইতো দেশ-বিদেশের নানান প্রান্ত থেকে ছুটে এসেছিল হাবীবি কাননের রূহানী সন্তানেরা।

তবে এই নূরানী মজলিশের বড় প্রাপ্তি হলো এবারের মজলিশে অংশগ্রহণ করেছিলেন উপ মহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রনায়ক, বীর সিপাহসালার, আল্লামা সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী রহঃ এর সুযোগ্য সাহেবজাদা, দারুল উলূম দেওবন্দের গর্বিত সন্তান আল্লামা আসজাদ মাদানী হাফিজাহুল্লাহ। আর তিনি এসেই সৌজন্য সাক্ষাতে মীলিত হয়েছেন বাংলার লাখো-কোটি তাওহীদি জনতার অবিসংবাদিত ইসলামী ব্যক্তিত্ব, আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেবের সাথে। আর তখনই এক অবিস্মরণীয় দৃশ্যের অবতারণা হয়।

আর এই মাহফিলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো শায়খুল ইসলাম, হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী হাফিজাহুল্লাহ’র অকৃত্রিম হৃদয়কাড়া এই হাসি। প্রিয় শায়খের এমন অকৃত্রিম হাসি দেখে ভক্তকুল বেজায় খুশি। এই হাসি অমর হোক। যারা এই কণ্ঠরোধ করতে চায়, এই হাসি থামিয়ে দিতে চায় তারা ধ্বংস হোক। আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব আমাদের মাথার উপর নিরাপদ ছায়া হিসেবে বেঁচে থাকুক যুগযুগ পর্যন্ত। শায়খের নূরানী চেহারার অকৃত্রিম এই হাসি দেখে মনটা খুশিতে নেচে উঠলো, আলহামদুলিল্লাহ্‌।  -সংগৃহিত

ফেসবুকে লাইক দিন