গ্লোব বায়োটেকের ভ্যাকসিনকে আশাব্যঞ্জক দেখছে সরকার

ইমান২৪.কম: গ্লোব বায়োটেকের ভ্যাকসিন ‘ব্যানকোভিডের’ অগ্রগতিতে সন্তোষ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। পরবর্তী ধাপে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন মহাপরিচালক। প্রথমবারের মতো সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে গ্লোবের ল্যাব পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

এই আশ্বাস ব্যানকোভিডের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে বলে আশাবাদ গ্লোব বায়োটেকের। করোনা প্রতিরোধে দেশীয় ভ্যাকসিন ব্যানকোভিড উদ্ভাবনের প্রতিটি স্তরে নিজেদের সাফল্যের জানান দিয়েছে গ্লোব বায়োটেক। তবে আক্ষেপ ছিল সরকারি কোনও দফতরের সাড়া না পাওয়ার।

অবশেষে সেই আক্ষেপ ঘুচল। দুই অতিরিক্ত মহাপরিচালককে সঙ্গে নিয়ে গ্লোবের কাজের অগ্রগতি দেখেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক। ঘুরে দেখেন ব্যানকোভিডের আঁতুড়ঘর। গ্লোব বায়োটেকের এই ল্যাব আন্তর্জাতিক মানের ও আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন বলেই মনে করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

পাশাপাশি ভ্যাকসিনের অগ্রগতিতেও সন্তোষ তাদের। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, আমরা যে ল্যাব দেখলাম সেটা অত্যাধুনিক ল্যাব। এখানে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা আছে। এখানে কাজ করছেন একদম আলাদা বিজ্ঞানীরা।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মিরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে তারা ইঁদুরের ওপরে কিছু পরীক্ষা করেছে। এখানে আমাদের যে উপস্থাপনা করেছে, সেখানে পজিটিভ রেজাল্ট পেয়েছে বলে আমাদের জানিয়েছেন।

পরবর্তী ধাপগুলোয় গ্লোবের পাশে থাকার আশ্বাসও দিলেন মহাপরিচালক। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশিদ আলম বলেন, আজকে আমরা যতটুকু কাজ দেখলাম এবং যতটুকু কাজ হয়েছে তাতে যথেষ্ঠ আশাব্যঞ্জক।

আমি মনে করি যে, ভালো কাজ হচ্ছে। দেশের জিনিস আমরা অবশ্যই চাইব। দেশের প্রোডাক্ট বাইরের দেশে খ্যাতি লাভ করে সেটার গৌরব তো সবার। তো আমারা চাইব যে, দেশের প্রোডাক্ট উঠে দাঁড়াক। এদিকে অধিদফতরের আশ্বাস সহায়ক হবে বলে মনে করে প্রতিষ্ঠানটি।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের হেড অব কোয়ালিটি অ্যান্ড রেগুলারিটি ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, আইসিডিডিআরবির ডিজিদেরকে নিয়ে বসে, তিনটা সংস্থার সমন্বয়ে খুব দ্রুত সময় আমাদের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে পারে।

ফেসবুকে লাইক দিন