গার্মেন্টসের রঙ দিয়ে তৈরি হতো আড়ং-মিল্কভিটা ব্র‍্যান্ডের ঘি

ইমান২৪.কম: প্রথমে মেয়াদ উত্তীর্ণ রাসায়নিক দ্রব্য ও গার্মেন্টসে ব্যবহৃত রঙ দিয়ে ঘি তৈরি করা হতো। দ্বিতীয় পর্যায়ে নামিদামি ব্র‍্যান্ডের (আড়ং, মিল্কভিটা) লেভেল লাগিয়ে এসব ঘি বোতলজাত করা হতো। সর্বশেষ পর্যায়ে সাপ্লাইদের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্র‍্যান্ডের তুলনায় কম দামে এসব ঘি বিক্রি করা হত।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে রাজধানীর কাফরুল থানাধীন দক্ষিণ ইব্রাহিমপুর স্বাধীনতা চত্বরের সংলগ্ন একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব-৪ এর একটি দল। অভিযানে আলী আজগর (৩৮) নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বসিয়ে ২০ লাখ টাকার নকল মালামাল জব্দ করেন।

এছাড়া আলী আজগরকে এসব নকল মালামাল তৈরি করার দায়ে ছয় লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন র‍্যাব-৪ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কাফরুল থানাধীন দক্ষিণ ইব্রাহিমপুর স্বাধীনতা চত্বর সংলগ্ন ও বাসাটিতে র‍্যাব সদরদফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসুর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করে র‍্যাব-৪।

অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু এসব দণ্ড প্রদান করেন। অভিযান শেষে র‌্যাব-৪ এর সহকারি পরিচালক (অপস) সহকারি পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেন, আমাদের কাছে গোপন খবর আসে বাসাটিতে মেয়াদউত্তীর্ণ রাসায়নিক দ্রব্য ও গার্মেন্টস ব্যবহৃত রঙ দিয়ে ঘি,

ভিনেগার, সয়াসস, টমেটোসস, গোলাপজল ও বেকিং পাউডার তৈরি করে বিভিন্ন ব্র‍্যান্ডের নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পাই।

আমরা অভিযানে দেখতে পায়, বাসাটিতে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন সব উপাদান দিয়ে এসব খাদ্যদ্রব্য তৈরি হয়ে আসছিল। পরে সাপ্লাইদের মাধ্যমে নানা কৌশলে এসব পণ্য নামাদামি ব্র‍্যান্ডের লেভেল লাগিয়ে বোতলজাত করে বাজারে বিক্রি করা হতো।

ফেসবুকে লাইক দিন