গরুর ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারব না: নরেন্দ্র মোদি

ইমান২৪.কম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, গরু ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা গরুর দুধের ঋণ কোন দিন শোধ করতে পারবো না। আমাদের সরকার গোমাতার স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সোমবার উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

গ্রামের অর্থনীতিতে গরু কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটাও বুঝিয়েছেন মোদি। ৫০০ কোটি রুপি বরাদ্দ দিয়ে মোদি সরকার ‘রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন’ ও ‘রাষ্ট্রীয় কামধেনু যোজনা’র মত স্কিম এনেছেন বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, গরু মাতাদের সম্মানের ক্ষেত্রে ভারত সরকার কখনই পিছু হটবে না। এই স্কিমে যেসব কৃষকরা গবাদিপশু পালন করে তাদের ২ শতাংশ অনুদান দেয়ার ঘোষণাও দেন তিনি।

>>গরুকে যারা মাতা বলে তাদের মস্তিষ্ক গোবরে ভর্তি: বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু বলেছেন, রাম হিন্দুদের ভগবান নয়। তাকে সে হিসাবে বিবেচনা করতে পারি না। একই সময়ে তিনি গরুকে হিন্দুদের ‘মাতা’ হিসাবে অস্বীকারও করেন।

সম্প্রতি দেরাদুনের এক অনুষ্ঠানে মার্কাটজু কাটজু বলেন, রাম ভগবান নয় কিন্তু একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন।

গরুকে মাতা হিসাবে অস্বীকার করে বলেছেন, গরু অন্যান্য ঘোড়া, কুকুরের মতই একটি প্রাণী। যারা বলছে গরু মাতা, তাদের মস্তিষ্ক গোবরে ভর্তি রয়েছে।

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাম মন্দিরের ইস্যুকে ভোটের জন্য ব্যবহার করা সম্পর্কে কাটজু বলেন, রাম মন্দির কোন সমস্যা নয়। আসলে মানুষ শুধু বিভ্রান্ত হচ্ছে।

>>মানুষের মাংস খেতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা

তার নেশা মানুষের মাংস খাওয়া। তবে কোনো জীবিত মানুষের নয়, সে খেত মৃত মানুষের আগুনে ঝলসানো মাংস। আর মাংস খাওয়ার জন্যই রাতবিরাতে শশ্মানে চলে যেত এই নরখাদক।

গত রোববার গভীর রাতে তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করেছে কয়েকজন গ্রামবাসী। ইতিমধ্যে তারা ওই নরখাদককে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে।

তার নাম এস মুরুগেসান, বয়স ৪৩ বছর। গ্রেপ্তারের পর তাকে মানসিক হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে।

পুলিশের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

পত্রিকাটি জানায়, গত রোববার রাজ্যের টি রামানাথপুরাম গ্রামে ৭০ বছর বয়সী এক নারী মারা যান। ওইদিন রাতেই তার মরদেহ স্থানীয় এক শশ্মানে দাহ করা হয়।

রোববার দিনগত রাত দেড়টার দিকে শশ্মানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন কয়েকজন লোক। এ সময় তারা দেখতে পান, এক লোক নিভে যাওয়া চিতার ছাইয়ের পাশে বসে ওই নারীর অর্ধপোড়া দেহের মাংস কেটে কেটে খাচ্ছে। এই দেখে তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে নেশাগ্রস্ত মুরুগেসানকে আটক করে।

গ্রামের লোকজন পুলিশকে জানায়, মুরুগেসান ওই গ্রামেরই বাসিন্দা এবং দিনমজুর হিসেবে কাজ করে। মাদকাসক্ত হওয়ার কারণে তার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরা তাকে ছেড়ে গেছে। এরপর থেকে মুরুগেসান নেশা করে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়ায়।

গ্রামবাসীরা আরো জানায়, তারা প্রায়ই শশ্মানে মানুষের হাড়গোড় পরে থাকতে দেখতো। এবার তারা নিশ্চিত, মুরুগেসানই মাংস খেয়ে ওগুলো ফেলে রাখতো।

তবে মুরুগেসান সত্যিই একজন নরখাদক কিনা সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে সে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন এ কথা জানার পর সোমবার তাকে একটি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  থানার দেয়ালে আ.লীগ নেতার মাথা থেঁতলে দিল সন্ত্রাসীরা

জমজমের পানি নিয়ে গবেষণা করে জাপানি বিজ্ঞানীর বিস্ময়!

‘ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বৃদ্ধির পেছনে ধর্মহীন শিক্ষা ও অশ্লীল সংস্কৃতি দায়ী’

১ হাজার ৯২ দিন পর অবশেষে মুক্তি পেলেন নিরীহ জাহালম

শিশুদের দিয়ে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি, ভুয়া স্ত্রীসহ পুলিশের এসআই আটক

এখন থেকেপুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা যাবে সরাসরি, খোলা হয়েছে কমপ্লেইন সেল

ফেসবুকে লাইক দিন