কাশ্মীর সম’স্যার মধ্যেই মোদীকে সর্বোচ্চ রা’ষ্ট্রীয় স’ম্মাননা দিলো আরব আমিরাত

ইমান২৪.কম: কাশ্মীরের মুসলমানরা কার্যত বন্দী জীবন কাটাচ্ছেন। গত ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকার কাশ্মীরের স্বাধীনতার কফিনে শেষ পেরেক পারেন। ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা ছিল কাশ্মীরিদের স্বাধীনতার শেষ দলিল।

এ ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন ভারতের বিরোধী দলগুলো। ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাশ্মির ভারতের একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্য হওয়ার কারণেই তার বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও সারা বিশ্বে মুসলমানরা কাশ্মীরিদের ওপর জু’লুম-নি’র্যা’তনের ক’ঠোর প্রতি’বাদ করে যাচ্ছেন।

এঅবস্থায় কাশ্মীর সং’কটের মূল নায়ক ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের অর্থশালী মুসলিম দেশগুলোর একটি আরব আমিরাত। তারা শুরুতে জানিয়ে দেয়, কাশ্মীর ইস্যুতে তারা ভারতের পক্ষে থাকবে। তবে এইটুকুতেই থেমে থাকিনে আরব আমিরাতের শাসকরা। এবার দেশটির সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মানায় ভূষিত করা হল নরেন্দ্র মোদীকে।

শনিবার ২৪ আগস্ট) তাঁকে সে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘অর্ডার অব জায়েদ’ দেয়া হয়। এর আগে গকাল শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী। আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মুহাম্মাদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাত করেন মোদী। এসময় তাঁকে অর্ডার অব জায়েদ মেডেল পরিয়ে দেন আল নাহিয়ান।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিষ্ঠাতা শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহানের নামেই ওই পুরস্কার দিয়ে থাকে আরব আমিরাত। এ বছর এপ্রিল মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ ঘোষণা করেন, তাঁর ‘প্রিয় বন্ধু’ মোদীকে এই সম্মান দেওয়া হবে। আবুধাবির যুবরাজ টুইট করে বলেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক যোগাযোগ রয়েছে।

আমার প্রিয় বন্ধু মোদীসেই যোগাযোগ দৃঢ়তর করে তুলেছেন। এই অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট তাঁকে জায়েদ পদক প্রদান করবেন।’’ জায়েদ মেডেল বা অর্ডার অব জায়েদ হল আমিরাতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান। বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট, রাজা বা অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানকে ওই পদক দেওয়া হয়।

ফেসবুকে লাইক দিন