এরা আমাদের ভাই, একদিন এরাও হতে পারে ইসলামের পাহারাদার

ইমান২৪.কম: আমার দেখা এটাই আজকের সেরা ছবি। এরা কেউ আমাদের কারো বাবা, কারো ভাই, কারো ভাতিজা।

কারো চাচা, কারো বা মামা। এদের হাতেই তুলে দিতে হবে সকল অন্যায় অপরাধ দমনের দায়িত্ব। আমাদের দেশের কোন কোন ভাই তাগুত বলে এদের বিরুদ্ধেই অস্ত্র ধারণ করতে চান।

বাংলাদেশ দুই দুইবার স্বাধীনতাপ্রাপ্ত একটি স্বাধীন মুসলিম দেশ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা মুসলমানদের হাতে। হ্যাঁ, এটা বলতে পারেন, রাষ্ট্রের পরিচালকরা ভুল পথে আছে।

আর সে কারণেই আমার দেশের সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিকে শত্রু মনে হয়। এদেরকে যারা চালায় সেই জায়গাটাই যাওয়ার চেষ্টা করেন, দেখবেন এরাই হয়ে গেছে রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় মুজাহিদ।

আজ তুরস্কের সেনাবাহিনী, তুরস্কের পুলিশ ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক মুসলিম শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। উপরে সামান্য কিছু ঘষামাজা করেছে। বাকী সব বাহিনী দ্বীনের মুজাহিদ হিসেবে তৈরী হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রশাসনও দ্বীন ইসলামের জন্য তৈরী হয়ে যাবে। যদি আমরা নেতৃত্বের জায়গায় যাওয়ার জন্য যথাযথভাবে চেষ্টা করতে পারি।

তুরস্কে উসমানী খেলাফত পতনের পর বিভিন্ন প্রদেশের বড় বড় উলামায়ে কেরাম সশস্ত্র বিপ্লবের পথে হেঁটেছেন। চেষ্টা করেছেন। সেই সময় একজন বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসী রহ. এসব প্রচেষ্ঠার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।

সেদিন তিনি এ কথাটাই বলেছিলেন, তোমরা যার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করবে, তারা তোমারই বাবা কিংবা ভাই। সুতরাং ভ্রাতৃঘাতি যুদ্ধ নয়। বরং ঈমানী আন্দোলন শুরু করা দরকার। চিন্তা করা দরকার, কেন আমাদের ভাইয়েরাই আমাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালো। সেই সমস্যাটা আমাদের কাটিয়ে উঠতে হবে। আজ তুরস্ক সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠে আসছে।

ফেসবুকে লাইক দিন