এবার বাংলা দখলের টার্গেট নরেন্দ্র মোদির!

ইমান২৪.কম: ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিজেপির শীর্ষ নেতা অমিত শাহ’র দু’দিনের সফর নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলছে নানা আলোচনা। তৃণমূলের জ্যেষ্ঠ নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দলে ভেড়ানো এবং জনসভায় বিপুল সমাগম ঘটানোয় অমিতের সফরকে সফল হিসেবে দেখছে বিজেপি। কিন্তু এসব নিয়ে না ভেবে আবারও ক্ষমতা গ্রহণের আশায় তৃণমূল কংগ্রেস।

ঘণ্টার হিসাব ধরলে মমতার বাংলায় ৫০ ঘণ্টার সফর ছিল ভারতীয় জনতা পার্ট বা বিজেপির দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র। কিন্তু এ সফর যে বিজেপিকে আগামী ৫ বছরের জন্য বড়সড় শক্তি যোগাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

এক-সময়ের মমতার দুই বিশ্বস্ত সঙ্গী মুকুল-শুভেন্দু এখন গেরুয়া শিবিরে। ২০২১ এর ভোটে মমতার বিরুদ্ধে মূলত দুই মুখই রণে বা কৌশলে বিজেপি ব্যবহার করবে। বাকিটা মানুষের ভোট।

আর সেটা গেরুয়া শিবিরের দিকেই ঝুঁকছে বলে দাবি করলেন বিজেপির এই শীর্ষ নেতা। বলেন, জীবনে বহু র‌্যালি করেছি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের এই র‌্যালি জীবনের সেরা। একই সঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গকে ‘সোনার বাংলা’ করার ডাক দিলেন অমিত শাহ।

তবে বিজেপিকে প্রায় ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। গত ১০ বছরের মমতার উন্নয়নের সামনে মোদির দল দাঁড়াতেই পারবে না। তাদের হাতে যতই শুভেন্দু-মুকুল থাকুক না কেন।

২৯৪ আসনের বিধানসভায় ২০১৬ সালে তৃণমূল ২১০ আসন পেয়েছিল। বিজেপি মাত্র ৩ আসন পেয়ে কোনো রকমে নিজের অস্তিত্ব জানান দিয়েছে বিধানসভায়।

সেই বিজেপি ২০১৯ সালের লোকসভায় ১৮ আসনে জয় পেয়ে ২০০ বিধানসভা তৃণমূলকে লিড দিয়েছে।

স্বাভাবিকভাবেই হাওয়া বদলের ইঙ্গিত পেয়ে বাংলা দখলে সব রকম কৌশল বাস্তবায়নে মরিয়া মোদি-অমিত শাহরা। আর সেই সঙ্গে এক সময়ের মমতার বন্ধু হয়ে থাকা বর্তমানের শত্রুদের কূটকৌশলের মিশ্রণ বেশ চ্যালেঞ্জের মুখেই ফেলতে পারে বাংলার অগ্নিকন্যাকে।

ফেসবুকে লাইক দিন