এবার তাইওয়ানকে ৯০টি যুদ্ধবিমান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ঘুম হারাম চীনের

ইমান২৪.কম: এমনিতেই গত কয়েকবছর দেশ দুইটির সম্পর্ক ভাল যাচ্ছে না। এর মধ্যেই কৌশলে তাইওয়ানের সঙ্গে ক্রমশ সম্পর্ক মজবুত করছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত কয়েকদিন আগেই তাইওয়ান সফরে যান ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকও করেন। এরপরেই জানা গেল বিশাল সামরিক সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাইওয়ান। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে অত্যাধুনিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে দেশটি। ছয় হাজার ২০০ কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তিও করেছে তাইওয়ান।

বিগত কয়েক বছরে তাইপে এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে এটি হচ্ছে সবচেয়ে বড় অস্ত্র চুক্তি। আর এই সামরিক চুক্তির কারণে তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্র’র সঙ্গে চীনের উত্তেজনা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। এমনটাই আশঙ্কা সামরিক পর্যবেক্ষকদের। যদিও মার্কিন এই সিদ্ধান্তের পাল্টা তীব্র হুঙ্কার ছেড়েছে চীন।

কড়া ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেইজিং। বেইজিংয়ের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তাইওয়ানকে এফ-১৬ বিমান সরবরাহ করা হলে ওয়াশিংটনকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। শুধু তাই নয়, রীতিমত যুদ্ধের হুঙ্কার বেইজিংয়ের। যদিও যুক্তরাষ্ট্র সেই হুঁশিয়ারি কানে নিতে নারাজ।

গত বছরই তাইওয়ানকে আমেরিকা ৬৬টি এফ-১৬ বিমান সরবরাহ করার ইঙ্গিত দিয়েছিল। বেইজিং তখনই আমেরিকাকে তাইওয়ানের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়। আবারও সেই পথেই হাঁটছে ট্রাম্প প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্র এবং তাইপের মধ্যে হওয়া নতুন এই চুক্তির আওতায় আমেরিকা তাইওয়ানের কাছে ৯০টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিক্রি করবে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এবং অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলির মধ্যে এফ-১৬ রয়েছে। মার্কিন এই সর্বাধুনিক এই যুদ্ধবিমানকে একাধিকবার আপগ্রেডেশন করা হয়েছে।

আরও জানা গেছে, আধুনিক সেই যুদ্ধবিমানই দেওয়া হবে তাইওয়ানকে। শুধু তাই নয়, তাইওয়ানকে যেসব বিমান দেওয়া হবে তা হবে এফ-১৬ প্রযুক্তির সর্বাধুনিক ভার্সন। আগামী ১০ বছর ধরে তাইওয়ান এসব বিমান হাতে পাবে। এমনটাই ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ফেসবুকে লাইক দিন