এতিমদের রান্নাঘর ভাঙার মূলে ছিলো এই পাগলা মিজান

ইমান২৪.কম: অল্পকিছুদিন আগের কথা মিনার মসজিদের কথা সবার ভুলে যাওয়ার কথা নয়, ভুলে গেলে আমাদের রিপটটি দেখতে ক্লিক করুন

অবৈধ উচ্ছেদের নামে ভেঙে ফেলা হয় ইতিমদের রান্নাঘর। এই ঘটনার মূলে ছিলো ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজান। এই মিজানকে অ’বৈধ ক্যাসিনো পরিচালনা, হ’ত্যা সহ বিভিন্ন অ’ভিযোগে শুক্রবার গ্রে’ফতার করে র‌্যাব। আইনুল হক কাসিমী সাহেব ফেসুবকে এই বিষয় বলেন, ইমান২৪.কমের পাঠকদের জন্য স্টাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

আইনুল হক কাসিমী: ঢাকার মুহাম্মদপুরের জামিয়া বাইতুল আমান (মিনার মসজিদ) মাদরাসার রান্নাঘর ভা’ঙার কথা মনে আছে? বেশিদিন আগের কথা নয়তো, মাত্র মাসখানেক আগের।

প্রায় ছয় শতাধিক ছাত্রের জন্য পাকানো খাবারসহ রান্নাঘরটি ভেঙে ফেলা হয়েছিল। ক্ষু’ধার্ত ছাত্রদেরকে মুখে ভাত উঠানোরও সুযোগ দেয়া হয়নি! ক্ষুধার্ত সেই মাদরাসাছাত্রটির কান্নাও কি ভুলে গেলেন? ভুলে গেলে দেখতে পারেন এই ভিডিও

৫০ বছরের পুরোনো এতিমখানার রান্নার ঘর উচ্ছেদ করলাে সিটি কর্পােরেশন | Follow- Ad Deen Sojeeb

৫০ বছরের পুরোনো ঢাকার মিনার মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলাে সিটি কর্পােরেশন। **ধরেই নিলাম, জায়গাটা অবৈধ | কিন্তু উচ্ছেদ না করলেও হতো | কেননা সবমিলিয়ে এটি ৩০ফিটও হয়তো নয় | এতে শিশু পার্কের কী ক্ষতি হতো ? মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে আরো একটু সময় দেয়া যেত না ? Report: Ad Deen Sojeeb (y)

Publiée par Ad Deen Sojeeb sur Dimanche 1 septembre 2019

জানেন, ওই ঘটনার খলনায়ক কে? খলনায়ক ছিল এলাকার ত্রা’স, সরকারদলীয় নেতা, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজান। ক্ষমতার অপ’ব্যবহার করে সেদিন এই চোরটাই মাদরাসার রান্নাঘর ভাঙিয়েছিল। তার সাক্ষাতকারের ভিডিওটি এখনও ইন্টারনেটে বিদ্যমান। দেখুন এই ভিডিও

৫০ বছরের পুরোনো এতিমখানার রান্নার ঘর উচ্ছেদ করলাে সিটি কর্পােরেশন | Follow- Ad Deen Sojeeb

৫০ বছরের পুরোনো ঢাকার মিনার মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলাে সিটি কর্পােরেশন। **ধরেই নিলাম, জায়গাটা অবৈধ | কিন্তু উচ্ছেদ না করলেও হতো | কেননা সবমিলিয়ে এটি ৩০ফিটও হয়তো নয় | এতে শিশু পার্কের কী ক্ষতি হতো ? মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে আরো একটু সময় দেয়া যেত না ? Report: Ad Deen Sojeeb (y)

Publiée par Ad Deen Sojeeb sur Dimanche 1 septembre 2019

চোরটা মাদরাসাছাত্রদের পেটে মা’ইর দিয়েছিল। আল্লাহও তাকে মা’ইর দিয়েছেন। তবে আল্লাহর মা’ইর অন্য জায়গায়। তিনি কাউকেই ছাড় দেন না। দেরিতে হলেও ধরেন। এই চোরটাকে মাত্র একমাস দশদিন পরই ধরে ফেলেছেন।

সে এখন ক্যা’সিনো ও সরকারি টাকা চু’রির দায়ে র্যাব পুলিশের হাতে গ্রে’ফতার! এতদিন ফে’রারি আ’সামি ছিল। এখন আমাদের সিলেটের শ্রীমঙ্গলের সী’মান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাবার পথে ধরা পড়েছে। ফিলহাল ৭ দি‌নের রিমা‌ন্ডে। প্যাঁ’দানি খাবে। প্যাঁ’দানি যারে কয়!

তার চেহারা দেখুন, একেবারে গরুচো’রের মতো লাগে! সে গরু’চোর না হলেও টাকাচুর! এই চো’রকে দুনিয়াতে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। পরকালের গ্রে’ফতারি তো রয়েই গেছে। আল্লাহ তো বলেই দিয়েছেন–“তোমার রবের গ্রে’ফতারি বড় মা’রা’ত্মক। সূত্র: ফেসবুক থেকে

ফেসবুকে লাইক দিন