ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার হয়

ইমান২৪.কম: আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার হন ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা।প্রকাশিত এক জরিপের ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে। ওই জরিপের ফলাফল মতে, শতকরা ৮৫ জন মুসলিম আমেরিকায় বৈষমের শিকার হন।

অন্য সম্প্রদায়ের মধ্যে ৭৯ শতাংশ ইহুদি বৈষম্যের শিকার হন। তবে ৬১ শতাংশ খ্রিস্টান ধর্মালম্বীর দাবি, তারাই বেশি বৈষমের শিকার। নাস্তিকদের ৫৫ শতাংশের দাবি, তারাও বৈষম্যের শিকার।

রাজনৈতিক ওয়েব সাইট ‘দ্য হিল ও মার্কেট রিসার্স’ এই জরিপ পরিচালনা করে। সম্প্রতি ইসলামোফোবিয়া, ইহুদি বিদ্বেষ ও অন্য ধর্মান্ধতার নিন্দা করে মার্কিন কংগ্রেসে ঘৃণা-বিরোধ নীতিমালা গৃহীত হয়। এর পর ওই জরিপ চালায় দ্য হিল ও মার্কেট রিসার্স।

আরো পড়ুন>> আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ধর্মীয় ভাব-আবেগ ও গম্ভীর্যের মাধ্যমে চলছে মজলিসে দাওয়াতুল হকের ২৪তম কেন্দ্রীয় ইজতেমা। আজ শনিবার বাদ ফজর থেকে যাত্রাবাড়ীর জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম মাদানিয়ায় (যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসা) দিনব্যাপী এ ইজতেমা শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান মুফতি আল্লামা হাবিবুর রহমান খায়রাবাদী বলেন, নবী কারীম সা. এর সুন্নাতের মুহাব্বাত ব্যতিত, আমল ব্যতিত ‍একজন মুসলিম মুমিন হতে পারে না। একজন মুমিনের জন্য জীবনাদর্শ হল রাসুল সা. এর সুন্নত। মুহাব্বতের সহিত সুন্নতের ওপর জীবন পরিচালনা করলে তবেই আমাদের উভয় জগতের সফলতা আসবে।

তিনি বলেন, সুন্নতের ওপর নিরবিচ্ছন্নভাবে ধারাবাহিকতার সহিত আমল করার ফলে একজন মুমিন ইমানের এমন একটি স্তরে পৌঁছে যায়, যখন তার থেকে কোন কবিরা গুনাহ সংঘটিত হয় না। আল্লাহ তায়ালা তাকে বড় গুনাহ থেকে হেফাজত রাখেন কেবল সুন্নতের ওপর চলার কারণে।

ইজতেমা উপলক্ষ্যে সুন্নতের আমলি মশক, দেশ-বিদেশের আলেমদের গুরুত্বপূর্ণ বয়ান, জিকির এবং দোয়া-মোনাজাতসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মারকাজী ইজতেমায় দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের সব হালকার আমীর, নায়েবে আমীর, কর্মীবৃন্দ ও ইমাম, মুয়াজ্জিন, উলামা-মাশায়েখসহ সবস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমান উপস্থিত হয়েছেন।

এছাড়াও দেশ বরেণ্য আলেম-উলামা ও পীর-মাশায়েখরা ইজতেমায় উপস্থিত থাকবেন। রাত ৯টায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমা শেষ হবে। উল্লেখ্য, মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান এর নেতৃত্বে দেশব্যাপী সুন্নত চর্চার নির্ভরযোগ্য মেহনত মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশ। সবশ্রেণীর মানুষের মাঝে সুন্নতি পদ্ধতিতে কেরাত, আজান ও নামাযসহ বিভিন্ন আমলের বিশুদ্ধ চর্চা জাগিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে হাকিমুল উম্মত শাহ আশরাফ আলী থানভি রহ. প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মজলিসে দাওয়াতুল হক।

ফেসবুকে লাইক দিন