ইমামের কক্ষে ৩শিশুর র’হস্য’জনক মৃ’ত্যু

ইমান২৪.কম: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় একটি মসজিদের ইমামের কক্ষে তাঁর নিজের ছেলেসহ তিন শিশুর রহ’স্যজনক মৃ’ত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে পূর্ব কলাদি জামে মসজিদ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

মা’রা যাওয়া ওই তিন শিশু হলো, আবদুল্লাহ আল নোমান (৮), মো. ইব্রাহিম (১২) ও মো. রিফাত (১৫)। এর মধ্যে নোমান ওই মসজিদের ইমাম মো. জামাল উদ্দিনের বড় ছেলে। মো. ইব্রাহিম উপজেলার নাটশাল গ্রামের কামাল হোসেন পাটোয়ারির ছেলে।

সে স্থানীয় ভাঙ্গারপাড় ইবতেদায়ি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মো. রিফাত পার্শ্ববর্তী নলুয়া গ্রামের মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে ও একই মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। এলাকাবাসী ও পরিবারগুলোর সূত্রে জানা গেছে, নোমান, ইব্রাহিম ও রিফাত একে অপরের পরিচিত ও ঘনিষ্ঠ।

চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) জিহাদুল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ম’রদে’হগুলো ময়’নাতদ’ন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ইমাম জামাল উদ্দিন বলেন, আমি তিন শিশুকে ঘরে রেখে নামাজে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি তারা অ’জ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে। মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার আইচ বলেন, আমরা খবর পেয়ে তিন ছাত্রের ম’রদেহ উ’দ্ধার করেছি।

আমি এখনো ঘটনাস্থলে রয়েছি। তদন্ত স্বাপেক্ষে বিস্তারিত বলা যাবে। পুলিশ, এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব কলাদী জামে মসজিদের ওই ইমাম স্থানীয় ‘ছাত্তার মাস্টারের মোড়’ এলাকায় একটি বাসায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন। মাঝে মাঝে তিনি ওই মসজিদের পাশের একটি কক্ষেও থাকতেন। ওই মসজিদে নামাজ আদায়ের সুবাদে মাঝে মধ্যে এই তিন জনও সেখানে অবস্থান করত।

আজ জুমার নামাজের আগে ইমামের ওই কক্ষে তারা তিনজন আসে। তাদের কক্ষে রেখে ইমাম জামাল উদ্দিন মসজিদে যান। স্থানীয়রা জানান, নামাজ শেষে জামাল উদ্দিন কক্ষে গিয়ে দেখেন ভেতর থেকে দর’জা ব’ন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পরও তারা দরজা না খোলায় স্থানীয়দের বিষয়টি জানান তিনি।

পরে লোকজন কক্ষটির দরজা ভে’ঙে দেখে খাটের ওপর ওই তিন শিশুর নি’স্তেজ দে’হ পড়ে আছে। পরে বিষয়টি মতলব দ’ক্ষিণ থা’নায় জানানো হয়। পু’লিশ ঘটনাস্থল থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃ’ত ঘোষণা করেন।

ফেসবুকে লাইক দিন