ফটিকছড়িতে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে মাদরাসায় লুটপাট হামলা: গুলিবিদ্ধ ৬ জন

ইমান২৪.কম: ফটিকছড়ির মাইজভান্ডারস্থ মান্নানীয়ার পশ্চিম নানুপর দারুচচ্ছালাম ঈদগাহ মাদরাসা নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবলীগ নেতা হাসানের নেতৃত্বে মাদরাসা ছাত্রদের ওপর অতর্কিত হামলা ও ভাঙ্গচুরের অভিযোগ ওঠেছে।

হামলায় প্রায় দশ জন ছাত্র আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ সোমবার বিকেলে মাদরাসা নির্মাণে বাধা দিতে এসে এ হামলার ঘটনা ঘটায় তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে আসেন উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মো.আবু তৈয়ব,উপজেলা ইউএনও সায়েদুল আরেফিন, ফটিকছড়ি ওসি রবিউল হোসেন। পুলিশের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মাদরাসার ছাত্ররা জানায়, স্থানীয় যুবলীগ নেতা হাসানের নেতৃত্বে মাদরাসায় হামলা চালানো হয়।

ট্রাক নিয়ে এসে মাদরাসার মালামাল তোলে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগও করেছেন তারা। স্থানীয় লোকজন জানায়, আমরা হঠাৎ গুলির আওয়াজ শুনি। তারপরই দেখি একজনের বুকে গুলি লেগে মাঠিতে পড়ে আছে।

স্থানীয় রুহুল আমিন বলেন, হুজুুর থেকে চাঁদা চেয়েছেন হাসানের লোকজন। হুজুর টাকা দিতে অস্বীকার করায় ট্রাক এনে মাদরাসার মালামাল তোলে নিয়ে যেতে লাগলে, মাদরাসার ছাত্ররা বাধা দিলে তাদের মারধর করে।

এরপর গুলির আওয়াজ শুনি। কয়েকজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রায় ছয় সাত জনের মত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলেও জানান রুহুল আমিন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা জানাতে চাইলে এলাকার সাইফুর রহমান জানান, পাঠান পাড়ার হাসান, মাদরাসা থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দেয়ায় এ হামলা করা হয়। গুলিবিদ্ধ একজনের অবস্থা আশঙ্কজনক বলেও জানান তিনি।

ফেসবুকে লাইক দিন