চাঁদপুরে মাদরাসায় হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনুন: মাহমুদুল হাসান

ইমান২৪.কম: চাঁদপুরের তালীমুল কুরআন ওয়াল হিকমাহ রহিমানগর কওমি মাদরাসায় হামলা, ভাংচুর, মাদরাসার অফিসে লুটপাট ও শিশুদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের তীব্র নিন্দা ও অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক)-এর সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসান।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক-এর নেতৃত্বে একটি টিম পরিদর্শন শেষে পর্যালোচনা করার পর তিনি এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষক কুরআনের হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুক-এর ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়েছে। ন্যাক্কারজনক এই হামলাকারীদের আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অপরাধে বিচারের আওতায় আনা জরুরি। বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলার আপেক্ষিক বিষয়ে সুষ্ঠু বিচারও কামনা করেন তিনি।

এদিকে গত (৬ জানুয়ারি) বুধবার সকালে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাক-এর প্রতিনিধি টিম গিয়েছে কচুয়া এলাকার হামলা হওয়া রহিমানগরের এ মাদরাসা পরিদর্শনে। বেফাকের সভাপতি মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান-এর পরামর্শে ও বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক-এর নেতৃত্বে বেফাকের প্রতিনিধিদল এ পরিদর্শনে যান।

এ সময় বেফাক প্রতিনিধি টিমে আরও ছিলেন বেফাকের সহকারী মহাসচিব মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আজহারী, মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ নোমানি, (খতিব, ৯ নং কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ উত্তরা ঢাকা), আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম সম্পাদক মাওলানা হুমায়ুন আইয়ুব,

কুমিল্লা জেলা কওমি মাদরাসা সংগঠনের মাওলানা শামসুল ইসলাম জিলানি, চাঁদপুর জেলা বেফাক সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ত্বহা খান, বেফাকের আমেলা সদস্য, চাঁদপুর জাফরাবাদ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা খাজা আহমাদুল্লাহ, কচুয়া জামিয়া ইসলামিয়া আহমদিয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আবু হানিফ প্রমুখ।

ফেসবুকে লাইক দিন