ভাস্কর্য বিরোধীরা ‘কুলাঙ্গার’, এদের গণধোলাই দিয়ে হাত-পা ভেঙে দিন: ছাত্রলীগ সভাপতি

ইমান২৪.কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য অবমাননাকারীদের ‘কুলাঙ্গার’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেছেন, তাদের যেখানে পাবেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে দেয়ার আগে এদের গণধোলাই দিয়ে হাত-পা ভেঙে দেন এবং তারপর পাকিস্তান পাঠিয়ে দেবেন।

রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি, তারাই আজ জাতির পিতার ভাস্কর্যকে অবমাননা করেছে। তারাই রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি বাবাদের কথা শুনে বাংলাদেশে হানা দিয়েছিল।

এই কুলাঙ্গারদের যেখানে পাবেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে দেয়ার আগে এদের গণধোলাই দিয়ে হাত-পা ভেঙে দেন এবং তারপর পাকিস্তান পাঠিয়ে দেবেন।

এ সময় ভাস্কর্য ভাঙচুরকারীদের হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেন, বাবুরা, তোরা রাতের অন্ধকারে না এসে দিনের আলোতে আয়। সামনে এসে কথা বল, আমি তোদের সঙ্গে একাই মোকাবেলা করবো।

আল নাহিয়ান খান জয় তোদের জন্য একাই এক শ। ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, আপনারা কথায় কথায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এটা নব্বই ভাগ মুসলমানের দেশ। কিন্তু নব্বই ভাগ মুসলমানদের নিরানব্বই ভাগই আপনাদের বিরোধিতা এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অবজ্ঞা করে।

এই দেশের মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে? মানুষের ইমোশন, সংবিধান, রাষ্ট্রীয় স্বার্থ নিয়ে কথা বলার অধিকার কে দিয়েছে? এগুলোর স্পষ্ট জবাব দিতে হবে। ওহি নাজিলের মতো সকালবেলা হঠাৎ করে বলা শুরু করলেন ভাস্কর্য থাকবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, আজব ব্যাপার।

বার বার সাবধান করে দেয়া হলেও গতকাল আপনারা সীমা লঙ্ঘন করেছেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অনেক ধৈর্য ধরেছে, অনেক প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু এখন আর ছাত্রলীগ প্রতিবাদে বিশ্বাস করবে না, প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ প্রমুখ।

ফেসবুকে লাইক দিন