কাশ্মীরে যুদ্ধ লাগলে ভারতের জন্য ‘মারাত্মক হুমকি’ হবে পাকিস্তানী-তুর্কী যে অস্ত্র

ইমান২৪.কম: বিশ্ব অবাক হয়ে দেখেছে আজারবাইজান থেকে সশস্ত্র ড্রোন কিভাবে আর্মেনিয়ার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, কামান ও ট্যাঙ্কের সুরক্ষা তছনছ করে দিয়ে আজারবাইজানকে সুস্পষ্ট জয় এনে দিয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞই বলেছেন, নাগার্নো-কারাবাখে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধে আজারবাইজানকে এই দরকারি সুবিধা দিয়েছিল তুরস্কের অ্যাটাক ড্রোন।

বিশ্লেষকরা আশঙ্কা জানিয়েছেন যে, কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সাথে পাকিস্তানের কোন যুদ্ধ লাগলে তুরস্ক এবং এমনকি চীনও পাকিস্তানকে এই সুবিধাজনক অস্ত্র দেবে।

আজারবাইজন যে সব নাটকীয় ভিডিও প্রকাশ করেছে, সেখানে দেখা গেছে তুরস্কের বাইরাকতার ড্রোনগুলো আর্মেনিয়ার বিভিন্ন টার্গেটে আঘাত করছে, আর আর্মেনিয় সেনারা সেগুলো বসে বসে দেখেছে।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, আর্মেনিয়া যুদ্ধে প্রায় ১৮৫টি টি-৭২ ট্যাঙ্ক, ৯০টি সাঁজোয়া যান, ১৮২টি কামান, ৭৩টি বিভিন্ন ধরণের রকেট লঞ্চার, টোর সিস্টেম ও পাঁচটি এস-৩০০ সিস্টেমসহ ২৬টি সার্ফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম, ১৪টি রাডার বা জ্যামার, একটি সু-২৫ জঙ্গি বিমান, চারটি ড্রোন এবং ৪৫১টি সামরিক যান হারিয়েছে। সামরিক বিষয়ক ব্লগ ওরিক্সের বিশ্লেষক স্তিজন মিৎজার এ তথ্য জানিয়েছেন।

এই তীব্র যুদ্ধে প্রায় ২৩০০ আর্মেনিয় সেনাও নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, আজারবাইজানের ক্ষতি হয়েছে অনেক কম। কিছু হিসেব মতে আর্মেনিয়ার ছয় ভাগের এক ভাগ মাত্র ক্ষতি হয়েছে আজারবাইজানের।

এই যুদ্ধ দেখিয়েছে যে, তুলনামূলক স্বল্পমূল্যের ড্রোন দিয়ে কিভাবে ব্যাপক ক্ষতি এড়িয়েও আকাশশক্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা সম্ভব।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর আমেরিকা আফগানিস্তানে তাদের শিকারী ড্রোনগুলো মোতায়েন করার পর থেকেই ড্রোন যুদ্ধ স্বাভাবিক হয়ে গেছে। আজ যে দেশই স্বচালিত এই সিস্টেমের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যে দেশই এগিয়ে থাকবে, সেই দেশ তার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে।

ফেসবুকে লাইক দিন