আমরা বিশ্বাস করি, সাজা মৃত্যুদণ্ড হলে ধর্ষণ কমে আসবে: আইনমন্ত্রী

ইমান২৪.কম: আমরা বিশ্বাস করি যে, ধর্ষণের সাজা যাবজ্জীবন থেকে মৃত্যুদণ্ড করায় অপরাধটির প্রবণতা কমে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক আনিসুল হক।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। আনিসুল হক বলেন, আমরা নিশ্চয়ই বিশ্বাস করি, ধর্ষণের সাজা যাবজ্জীবন থেকে মৃত্যুদণ্ড করায় এই অপরাধ কমে আসবে। না হলে বাড়ানোর প্রশ্নটাই আনতাম না।

গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমি আপনাদের বলেছিলাম, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর (১) ধারায় ধর্ষণের জন্য যে সাজা আছে, সে সাজা ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সেই ধারা সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হোক।

সে মোতাবেক আজ এই আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের সাজা যাবজ্জীবনের পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমি একটি সংশোধন প্রস্তাব উত্থাপন করি। সেটা হচ্ছে, ধর্ষণের শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারা সংশোধন করা হচ্ছে, তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৯ (৪) ধারায়ও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আর সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি দ্বৈত বেঞ্চ নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ১১ (গ) ধারায় যেখানে সাধারণ জখম অপরাধ আপসযোগ্য ছিল না, সেখানে আপসযোগ্য করার একটা নির্দেশ ছিল।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়েও কথা হয়। সেখানেও (সাধারণ জখম) সংশোধন করে আপসযোগ্য করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘১৯৭৪ সালের শিশু আইন নতুন করে ২০১৩ সালে সরকার সংসদে পাস করেছে। সেই আইনেরও আমরা সংশোধনী এনেছি।

এই সব সংশোধনী আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপন করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় সংশোধনীগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ভেটিং সাপেক্ষে।’

আনিসুল হক আরও বলেন, ‘যেহেতু সংসদে এখন সেশন নেই, সেহেতু প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, এটাকে অধ্যাদেশ করার জন্য। আমরা আগামীকাল (১৩ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির আদেশবলে এটাকে অধ্যাদেশ জারির প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

ফেসবুকে লাইক দিন