নতুন করে চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা

ইমান২৪.কম: মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। রিমান্ডে থাকা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে মিলেছে এসব তথ্য।

কক্সবাজারে র‌্যাব-১৫ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, র‌্যাবের হাতে থাকা সিনহা হত্যা মামলার সব আলামত বুঝে পেয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। পাশাপাশি আদালতের আদেশক্রমে বৃহস্পতিবার (আজ) রামু থানা থেকে শিপ্রা ও সিফাতের বাকি ২৯টি ডিভাইস বুঝে নেয়া হবে।

লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ আরও জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ সুপারের মাধ্যমে টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জকে ২৫ জুলাই থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত থানার সিসিটিভি ক্যামরার ফুটেজ প্রদানে লিখিত আবেদন করেছিলেন।

ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে টেকনাফ থানার ওসি জানিয়েছেন- থানায় ২টি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। এর মধ্যে একটির ডিভাইস নষ্ট, অন্যটির ডিভাইস পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের দায়ের করা মামলায় ৯ পুলিশকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।

ওই মামলায় বর্তমানে আদালতের মাধ্যমে বরখাস্ত ৭ পুলিশ সদস্য র‌্যাবের রিমান্ডে রয়েছেন। বাকি ২ পুলিশ সদস্যের পরিচয় ও তথ্য প্রদান করতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্সবাজারের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

সিনহা হত্যাকাণ্ডের সবকিছু বিচার-বিশ্লেষণ করে পেশাদায়িত্ব নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এই স্পর্শকাতর মামলাটি তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার এই পরিচালক।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, র‌্যাবের কাছে রিমান্ডে থাকা ৪ পুলিশ সদস্যসহ ৭ জনের রিমান্ড আজ শেষ হচ্ছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হবে। যদি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে পরবর্তী সময়ে যে কারও রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন করবেন।

ফেসবুকে লাইক দিন