ইমরান খানের ভাষণের পর স্বা’ধীনতার দাবিতে আবারো উ’ত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কাশ্মীর

ইমান২৪.কম: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইমরান খান শুক্রবার বক্তব্যের বড় অংশটাই কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ছিল। সেখানে তিনি কাশ্মীরিদের ওপর ভারতীয় জু’লুম-নি’র্যাতনের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

কাশ্মীরিদের স্বাধীনতার বিষয়টি জাতিসংঘকে স্মরণ করিয়ে দেন। প্রায় দুই মাস ধরে চলা কারফিউর বিষয়ে তিনি কথা বলেন। কারফিউ বাতিল হলে কাশ্মীরে রক্তগঙ্গা বইবে বলেও তিনি বিশ্ব নেতাদের জানান। তিনি জনান,

কারফিউ হটালেই কাশ্মীরিরা রাস্তায় নেমে আসবে। আর তখন ভারতীয় সেনাদের সাথে লড়াই হবে। এবং সেখানে রক্তের বন্যা বইবে। এদিকে, ইমরান খানের ভাষণের পর কাশ্মীরে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে কাশ্মীর।

শনিবার ভারতীয় বাহিনী ছয় কাশ্মীরিকে গু’লি করে হ’ত্যা করেছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, কাশ্মীরের শ্রীনগরের ১২ মাইল উত্তরের গান্দেরবলে তিন কাশ্মীরি তরুণ নিহত হয়েছে। এছাড়া জম্মু

এবং শ্রীনগরের মধ্যে সংযোগকারী মহাসড়কের বাটোটের কাছে পুলিশের তল্লাশি অভিযানের সময় আরো তিনজনের প্রাণহানি ঘটে। প্রায় ৫০ মিনিটের দীর্ঘ ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য ছিল কাশ্মীর ইস্যুতে

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। তিনি বারবার বলতে চেয়েছেন, ভারত শাসিত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে গত প্রায় দুই মাস ধরে ৮০ লাখ কাশ্মীরিকে যেভাবে পশুর মতো অ’বরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে,

তা যে কোনো সময় বিপজ্জনক পরিণতি বয়ে আনতে পারে। ইমরান খান সাবধান করেন, আশঙ্কা রয়েছে কাশ্মীরি তরুণ যুবকরা যে কোনো সময় সহিংস বি’ক্ষোভ শুরু করতে পারে, যার জন্য ভারত হয়ত পাকিস্তানকে

দায়ী করবে। তিনি বলেন, তেমন কিছু হলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা নাকচ করা যায় না। যে যুদ্ধ পারমাণবিক সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তিনি আরো বলেন, যদি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনো যুদ্ধ হয়, তাহলে ছোটো দেশ হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার ছাড়া পাকিস্তানের কোনো বিকল্প থাকবে না।

ফেসবুকে লাইক দিন