ই’জতেমার আগে আলমী শু’রার দেশব্যাপী জোড়ের তারিখ ঘোষণা

ইমান২৪.কম: ২০২০ সালের ইজতেমা শুরু হবে ১০ জানুয়ারী থেকে। ১০, ১১, ১২ জানুয়ারী আলমী শুরার সাথীদের এবং ১৭, ১৮, ১৯ জানুয়ারী দিল্লির মাওলানা সা’দ কান্ধলবির অনুসারীদের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। তবে ইজতেমা পূর্ববর্তী ৫ দিনের জোড় এ বছর টঙ্গীর মাঠে হবে না বলে জানানো হয়েছে।

গত ২৮ অক্টোবর ইজতেমার তারিখ নির্ধারণী বৈঠকে টঙ্গী ছাড়া অন্য কোথাও ইজতেমা পূর্ববর্তী ৫ দিনের জোড়ের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ২৮ তারিখের বৈঠকের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আলমী শুরাপন্থী জিম্মাদাররা ত্রিমাসিক মাশওয়ারায় অঞ্চল ভিত্তিক পৃথক পৃথক স্থানে ৪ টি জোড় অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

২৯ অক্টোবর মাদরাসা উলূমি দীনিয়া মালওয়ালী মসজিদ কাকরাইল থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এবারের জোড় টঙ্গীর পরিবর্তে কয়েকটি জেলা মিলে একটি নির্ধারিত স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তিতে নারায়নগঞ্জ, ময়মনসিংহ, যশোর এবং চট্টগ্রাম এই চারটি জেলায় জোড় অনুষ্ঠিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

আগামী ২৯, ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর নারায়ানগঞ্জে – ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদি, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার জোড় অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৯, ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে- ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোণা, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, জয়পুরহাট, বগুড়া, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও এবং দিনাজপুর জেলার জোড় অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ৩,৪ এবং ৫ ডিসেম্বর যশোরে- যশোর, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, নড়াইল, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর এবং গোপালগঞ্জ জেলার জোড় অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৬, ৭ এবং ৮ ডিসেম্বরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে- চট্টগ্রাম কক্সবাজার রাঙ্গামাটি বান্দরবান খাগড়াছড়ি ফেনী নোয়াখালী লক্ষ্মীপুর চাঁদপুর কুমিল্লা বিবাড়িয়া হবিগঞ্জ সিলেট মৌলভীবাজার এবং সুনামগঞ্জ জেলার জোড় অনুষ্ঠিত হবে।

ইজতেমা পূর্ববর্তী জেলা ভিত্তিক পাঁচদিনের এই জোড়ের সফলতার জন্য প্রত্যেক জেলার জিম্মাদারদকে তৎপর হতে মুরুব্বীদের পক্ষ থেকে আহ্বান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কোনো কোনো আলেম জানিয়েছেন, জোড়ের জন্য নির্ধারিত তারিখ ও জেলা সমূহের তালিকা দেখে স্থানীয় ওয়াজ মাহফিলের তারিখ নির্ধারণ বা পূর্ব ঘোষিত মাহফিলের তারিখ সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। এ ব্যাপারে উলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে তাবলীগ জামাতের জোড়ের সাফল্যের দিকে লক্ষ রাখতে মাহফিলের আয়োজকবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

ফেসবুকে লাইক দিন